e Humayun Kabir: ‘হিন্দুদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি’, হঠাৎ ভরা মঞ্চে কেন কেন মাথা নত করলেন হুমায়ুন কবীর? - Bengali News | 'I apologize to the Hindus', Why did Humayun Kabir suddenly bow his head on a crowded stage | TV9 Bangla News

Humayun Kabir: ‘হিন্দুদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি’, হঠাৎ ভরা মঞ্চে কেন কেন মাথা নত করলেন হুমায়ুন কবীর?

Humayun Kabir on Hindu: হুমায়ুনের সাফ কথা, সংখ্য়ালঘু মানে শুধু মুসলিম নয়। আদিবাসী সহ তফসিলি জাতি, ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষেরা রয়েছেন। কিন্তু মুসলিমদের শুধু সংখ্যালঘু বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সমাজে সব জাতিতেই লাঞ্ছিত, অবহেলিত মানুষেরা রয়েছেন। টেনে আনেন কংগ্রেস থেকে সিপিএমের প্রসঙ্গও।

Humayun Kabir: ‘হিন্দুদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি’, হঠাৎ ভরা মঞ্চে কেন কেন মাথা নত করলেন হুমায়ুন কবীর?
আর কী কী বললেন হুমায়ুন? Image Credit source: Facebook

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 31, 2026 | 4:21 PM

রেজিনগর: নতুন দল খুলে আগের থেকে যেন আরও বেশ খানিকটা বেশি আত্মবিশ্বাসী হুমায়ুন কবীর। রোজই তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে চলেছেন। এদিনও রেজিনগরের সভায় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের তুলোধনা করলেন।  লোকসভা ভোটের আবহে করা তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নিলেন হিন্দুদের কাছে। রেজিনগরের মঞ্চ থেকেই বললেন, “ সেদিন হিন্দু ভাইরা মনে আঘাত পেয়েছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভবিষ্যতে এরকম মিথ্যবাদী মুখ্যমন্ত্রীর কথায় হুমায়ুন কবীর আর কোনওদিন সাম্প্রদায়িক, উস্কানিমূলক কথা বলবে না। আপনারা ভরসা রাখতে পারেন।” তবে কেন তিনি সেদিন এ কথা বলেছিলেন সেই ব্যখ্যাও দেন। 

হুমায়ুন বলেন, “এখন বহরমপুরের মানুষ অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইউসুফ পাঠানকে ভোট দিয়েছে। সে সময় ইউসুফকে জেতানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে নির্দেশ দিয়েছিল। তাঁর নির্দেশ কার্যকরী করতে গিয়ে আমি হিন্দু সমাজের মানুষকে কিছু কথা বলেছিলাম। যেদিন আমি এ কথা বলেছিলাম তার আগের দিন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এসে আমার বুকের উপর দাঁড়িয়ে আমাকে দঙ্গাবাজ আখ্যা দিয়েছিল। আমাকে উল্টো করে টাঙিয়ে সিঁধে করার কথা বলেছিল। তাঁর প্রতিবাদে এই জেলার তৃণমূলের কোনও বড় নেতা মুখ খোলেনি। হুমায়ুন কবীরকে তার প্রতিবাদ করতে হয়েছিল। আমি বলেছিলাম আপনি যদি উল্টো করে সিঁধে করতে চান তাহলে আমি হুমায়ুন কবীর দু’ঘণ্টার মধ্যে নির্দেশ দিলে আপনার বিজেপি করা হিন্দু ক’টাকে ভাগরথীদের জলে ঝাঁপ দেওয়া করাবে। যদিও এই মন্তব্যের জন্য আমি অনুতপ্ত, দুঃখিত। ” 

অন্যদিকে হুমায়ুনের সাফ কথা, সংখ্য়ালঘু মানে শুধু মুসলিম নয়। আদিবাসী সহ তফসিলি জাতি, ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষেরা রয়েছেন। কিন্তু মুসলিমদের শুধু সংখ্যালঘু বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সমাজে সব জাতিতেই লাঞ্ছিত, অবহেলিত মানুষেরা রয়েছেন। টেনে আনেন কংগ্রেস থেকে সিপিএমের প্রসঙ্গও। কংগ্রেস, বামেদের প্রতি মুসলিমদের বদন্যতার কথা মনে করিয়ে বলেন, “যখন প্রণব মুখোপাধ্য়ায়কে ভোট দিয়ে নির্বাচিত সাংসদ করে সেই মুর্শিদাবাদের মুসলিমরা কখনও সাম্প্রদায়িক হয় না। তাঁর গদ্দার হয় না। মুসলিমরা শুরু থেকে বামফ্রন্টের আরএসপি-র ত্রিদিপ চৌধুরী থেকে ননীগোপাল ভট্টাচার্যে মতো প্রার্থীদের বরহরমপুরের সাংসদ করেছে। মুসলিমরা বারবারই ধর্মনিরপেক্ষতাই বেছে নিয়েছে।”