Jakkir hossain: জাকিরের বক্তব্যে ফের অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির! তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভার দুর্নীতি নিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ

Murshidabad: তিনি বলেন, "পৌরসভার জমি কোনও রকম টেন্ডার ছাড়াই দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত কাজ হচ্ছে তার কোনও রকম সূচি টাঙানো হচ্ছে না।"

Jakkir hossain: জাকিরের বক্তব্যে ফের অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির! তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভার দুর্নীতি নিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ
তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভা নিয়ে মুখ খুললেন জাকির হোসেন (নিজস্ব ছবি)

মুর্শিদাবাদ:সামনেই পৌর ভোট। আর ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে নতুন করে বারবার যেন শাসকদলের অন্তর্কলহ সামনে আসছে। কখনও গোষ্ঠী কোন্দল, কখনও অন্তর্দন্দ্ব কখনও বা দলেরই একে অন্যের প্রতি কাদা ছোড়াছুড়ি করা। এবার নিজের দলের পরিচালিত পৌরসভার বিরুদ্ধে মুখ খুলে আরও একবার সেই বিতর্ককে জিইয়ে রাখলেন তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন।

যত পৌর ভোট এগিয়ে আসছে জেলায় একের পর এক অন্তর্কলহ উঠে এসেছে। কোথাও খোদ পৌরসভার চেয়ারম্যান দলের বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলছেন, কোথাও আবার গোষ্ঠী-সংঘর্ষের জেরে বোমাবাজি। এবার তৃণমূল পরিচালিত (বর্তমানে প্রশাসক) জঙ্গিপুর পৌরসভার দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। তার অভিযোগ পৌরসভার জমি কোনও রকম টেন্ডার ছাড়াই দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত কাজ হচ্ছে তার কোনও রকম সুচি টাঙানো হচ্ছে না। তাই এর বিরুদ্ধে তিনি লড়ে যাবেন। কোনও রকম ভাবে দলকে কলুষিত করা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

জাকিরের কথায়, “আমি রাজনীতিতে সেবা করতে এসেছি। তাই কোনও কাজে যদি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর বদনাম হয় আমি মনে করি সেই বদনাম আমার। সেই কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাতে কোনও বদনাম না হয় সেই বদনাম সরানোর চেষ্টাই আমি করছি। আমি এখানে কোনও দলের কথা বলছি না। আমি দুর্নীতিগ্রস্তদের কথা বলছি। ছয় বছর ধরে পৌরসভা কাজের কেন কোনও হিসেব দেখায়নি?আমি এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।”

একই সঙ্গে এইসকল দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন প্রশাসনের কাছে। তিনি বলেন, “আমি চাইব দুর্নীতিগ্রস্ত যেই হোক না কেন আমি হলেও আমায় গ্রেফতার করুন আপনারা। কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ আমার দলে থাকবে না। কোনও গরিব মানুষ তার অধিকার থেকে যেন বঞ্চিত না হয়। তাই আমি সকলকে অনুরোধ করব ও আগামীদিনে আন্দোলন করে যাব।তবুও মানুষের অধিকার আমি বঞ্চিত হতে দেব না। আমি আপনাদের জন্য পাঁচ থেকে ছয় বছর কাজ করেছি কেউ একটা আঙুল তুলতে পারবে না। আজকে যেসব কাজ হচ্ছে তার কোনও তালিকা দিচ্ছে না। তাই আপনাদের বলছি যেখানে-যেখানে কাজ হচ্ছে আপনারা দেখে নেবেন। শিডিউল জানতে চাইবেন। শিডিউল ছাড়া কেউ কাজ করবেন না।”

একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “পুরো সভার একটি জমি ছিল। সেই জমি এখনও পড়ে রয়েছে। ইচ্ছে করে উকিল দেয়নি পুরসভা। এখন সেই জমিকে পাইয়ে দেওয়া হয়েছে লোককে টাকার বিনিময়ে।এই সব দুর্নীতির প্রতিবাদ আমি আগেও করেছি। এখনও করছি।”

এদিকে যার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ সেই মোজারুল ইসলাম সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, “শেষ কথা জনগণ বলবে। আমরা অসহায় মানুষের জন্য কাজ করেছি প্রচুর। তাই কে কী কথা বলল তা দেখে আমাদের লাভ নেই।”

আরও পড়ুন: Old Man harassment: হঠাৎ বাড়িতে ঢুকে হামলা পাড়ার যুবকদের! লাঠি দিয়ে বেড়ধক মার বৃদ্ধ দম্পতিকে

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla