Murshidabad: জেলে বন্দি কুখ্যাত জঙ্গি, সেই জেলেই দুই কয়েদির কাছ থেকে উদ্ধার মোবাইল, কী হচ্ছে বহরমপুরে
Murshidabad: বুধবার দুপুর দু’টো নাগাদ সংশোধনাগারের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে তল্লাশি চালালে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বন্দি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে টাকির কাছে থেকে একটি ছোট মোবাইল উদ্ধার হয়। জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বীরভূমের সিউড়ি থানায় মাদকের মামলা হয়েছিল।

বহরমপুর: জেলে জঙ্গিদের হাতে মোবাইল ফোন? এবার বহরমপুর জেলে কয়েদির সেল থেকে উদ্ধার হয়েছে মোবাইল ফোন। মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই বন্দির কাছ থেকে দু’টি মোবাইল উদ্ধার হতেই শোরগোল প্রশাসনিক মহলের অন্দরে। এদিকে এই জেলেই বন্দি রয়েছে কুখ্যাত এবিটি জঙ্গি তারিকুল ইসলাম। এছাড়াও রয়েছে এবিটি জঙ্গি সন্দেহে ধৃত একাধিক বিচারাধীন বন্দিও। তবে কী এখনও জেল থেকেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গিরা? নাকি জেলের মধ্য থেকে চলছে মাদকের কারবার? উঠছে প্রশ্ন। কী করে জেলের ভিতর ওই মোবাইল পৌঁছে গেল? প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকাও।
সূত্রের খবর, বুধবার দুপুরে হঠাৎ সেলে তল্লাশি চালাতেই গোটা ঘটনা সামনে আসে। বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের সুপার দীপক কুমার সারকী বহরমপুর থানায় সাজাপ্রাপ্ত ওই দুই বন্দির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। শুধু মোবাইল নয়, তল্লাশির সময় পাথর বা ইটের টুকরো, দড়ি, তারের টুকরো, ব্লেড, ধারালো করে রাখা চামচও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
বুধবার দুপুর দু’টো নাগাদ সংশোধনাগারের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে তল্লাশি চালালে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বন্দি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে টাকির কাছে থেকে একটি ছোট মোবাইল উদ্ধার হয়। জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বীরভূমের সিউড়ি থানায় মাদকের মামলা হয়েছিল। অন্যদিকে ওই ওয়ার্ডেই মাদক মামলায় আর এক সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছে মহম্মদ নাসিম। তাঁর কাছ থেকেও একটি ছোট মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।নাসিমের বিরুদ্ধে ইকবালপুর থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনায় হতবাক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তা অরিন্দম আচার্য। তিনি বলছেন, “এ অবস্থা থাকলে তো এরা আরও বিস্তার করে। তারমানে অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বলে কিচ্ছু নেই। না ধরলেও ওরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, ধরার পড়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে আরও দ্বিগুণ বেগে। এই লজ্জা আপনার আমার সমগ্র দেশবাসীর।”
