AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC Leader: ‘অভিষেকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে কর্মীরা টাকা নিত… টাকা দিতে হত তপসিয়ার পার্টি অফিসে গেলেই’, বিস্ফোরক তৃণমূলের চেয়ারম্যান

TMC leader on Abhishek Banerjee: বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাড়ুগোপাল দাবি করলেন, তৃণমূলের এভাবে শেষ হওয়ার একমাত্র কারণ দুর্নীতি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এতদিন সামনে এনেছেন সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীরা। আর এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল দলের নেতা তথা বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালের মুখে।

TMC Leader: 'অভিষেকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে কর্মীরা টাকা নিত... টাকা দিতে হত তপসিয়ার পার্টি অফিসে গেলেই', বিস্ফোরক তৃণমূলের চেয়ারম্যান
বহরমপুরের চেয়ারম্যান নাড়ুুগোপাল মুখোপাধ্যায় (ডানদিকে)
| Edited By: | Updated on: May 08, 2026 | 8:36 AM
Share

বহরমপুর: ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের ‘পতন’ মেনেই নিয়েছে দলীয় নেতৃত্ব। দলনেত্রী (Mamata Banerjee) যখন ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন, তখন দলের নেতারাই পতনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলে দিচ্ছেন বিস্ফোরক সব কথা। আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা, আর এবার দলের অন্দরের দুর্নীতির ছবিটা তুলে ধরলেন বহরমপুরের তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাড়ুগোপাল দাবি করলেন, তৃণমূলের এভাবে শেষ হওয়ার একমাত্র কারণ দুর্নীতি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এতদিন সামনে এনেছেন সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীরা। আর এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল দলের নেতা তথা বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালের মুখে।

‘তৃণমূলের না হলে পৌরসভায় কাজ হত না’

চেয়ারম্যান বলেন, “সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার যে নিয়ম কার্যকরী রাখবে, সেই ভাবে চলবে পৌরসভা। নাগরিকরা যেন সহযোগিতা করে। সরকার চাইলে পৌরসভা ভেঙে দেবে, সরকার চাইলে ভোট করাবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাম আমলে বিরোধী দলের পৌরসভা বা পঞ্চায়েতগুলিতে কাজ করার সুযোগ ছিল, কোনওদিন সরকারি প্রকল্পে বাধা হয়নি। সেই রাজনীতির বদল ঘটিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল পরিচালিত না হলে কোনও কাজ হত না বলে মন্তব্য করেন তিনি। পৌরসভাগুলি বঞ্চিত হতো বলেই নাকি তৃণমূলের ছাতার তলায় আসতে হত।

‘গ্রাসরুট স্তরে দুর্নীতি’

দলের একেবারে নীচের তলায় দুর্নীতির শিকড় পৌঁছে গিয়েছিল বলে মন্তব্য করলেন নাড়ুগোপাল। সাফ বললেন, পঞ্চায়েত স্তরের দুর্নীতি হয়েছে। রাজ্যে যদি ৮০ হাজার বুথ থাকলে, তাহলে ৮০ হাজার বুথ সভাপতিই দুর্নীতিতে জড়িত। কীভাবে কোনও কাজ বা পরিষেবা পেতে গেলে টাকা দিতে হত, সেই অভিযোগের কথা ঝরঝর করে বলে গেলেন তিনি। বললেন, “পাড়ায় একটা ঢালাই করতে গেলেও টাকা দিতে হত। একজন নিত না, ধাপে ধাপে সবাই টাকা নিত। মানুষ টাকা দেবে কোথা থেকে? ফিরহাদ হাকিমের মতো বড় নেতারা কোনওদিন টাকা নেয়নি। কিন্তু দলের গ্রাসরুট স্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে গিয়েছিল।”

‘অভিষেকের অফিসেও টাকা নেওয়া হত…’

তৃণমূল নেতার দাবি, কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলে কর্মীরা টাকা নিত। তৃণমূলের তপসিয়ার পার্টি অফিসে গেলেও টাকা দিতে হত। আবাসের টাকাতেও ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকার কাটমানি নেওয়া হত বলেও দাবি করেছেন নাড়ুগোপাল। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে উন্নয়ন করেছেন, তা উল্লেখযোগ্য। এই দুর্নীতি না হলে, এমন পতন হত না বলে মনে করেন তিনি।

Follow Us