Ram-Hanuman: কাঁধে রাম, লোকাল ট্রেনে চেপে ব্রিগেডের পথে হনুমান
BJP Worker: পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ওই ব্যক্তি এদিন নিজেকে পুরোপুরি হনুমানজির রূপে সাজিয়ে তোলেন। তাঁর কাঁধে ছিল রাম-রূপী ছোট্ট সন্তান। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। তাঁরাও রাম, সীতা ও হনুমানজির বেশ ধরে চললেন ব্রিগেডে। তাঁদের এই সাজ দেখতে শান্তিপুর স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের একেবারে ভিড় জমে যায়।

শান্তিপুর: ভোটের আঁচে তপ্ত বাংলা। ব্রিগেডে ঝড় তুলতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উন্মাদনা তুঙ্গে বিজেপি শিবিরে। শনিবার সকালে শান্তিপুর স্টেশনে দেখা গেল এক অনন্য দৃশ্য। নিজের সন্তানকে ভগবান রাম সাজিয়ে, নিজে হনুমানের বেশ ধরে লোকাল ট্রেনে চেপে ব্রিগেডের পথে রওনা দিলেন এক বিজেপি কর্মী।
পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ওই ব্যক্তি এদিন নিজেকে পুরোপুরি হনুমানজির রূপে সাজিয়ে তুলেছেন। তাঁর কাঁধে ছিল রাম-রূপী ছোট্ট সন্তান। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। তাঁদের এই সাজ দেখতে শান্তিপুর স্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের একেবারে ভিড় জমে যায়।
বিজেপি কর্মীদের দাবি, রাম, সীতা ও হনুমানজি শুভ শক্তির প্রতীক। রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসবেই। এই বিশ্বাস থেকেই তাঁরা দেব-দেবীর সাজে কলকাতার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। তাঁদের মতে, এই আধ্যাত্মিক আবহ রাজ্যে পালাবদলের আবহকে আরও শক্তিশালী করবে। শনিবার সকাল থেকেই শান্তিপুর থেকে শিয়ালদহগামী ট্রেনগুলোতে বিজেপি নেতা ও কর্মীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে স্টেশন চত্বর। গেরুয়া শিবিরের এই অভিনব প্রচার, ধর্মীয় আবেগকে সঙ্গী করে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে শুধু শান্তিপুর নয়, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সব প্রান্ত থেকেই মানুষ এসে ভিড় করছেন হাওড়া, শিয়ালদহে। তারপর সেখান থেকে সোজা ব্রিগেডে। শুক্রবার থেকেই ছেড়েছে স্পেশ্যাল ট্রেন। শনিবার তো নানা প্রান্ত থেকে এল বাস। উড়ল গেরুয়া ধ্বজ।
