Nadia: ৬ মাস আগে বিয়ে, শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার কথা ছিল, সোমবার সকালেই কী এমন ঘটে গেল…
Haskhali Case: খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন। হাঁসখালি থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে। একই সঙ্গে বর্ণালীর তাহেরপুরের বাড়িতেও খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

নদিয়া: হাঁসখালির পেপুল বেড়িয়ার বৈষ্ণবঘাটা এলাকার ঘটনা। এক নবদম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিয়ের মাত্র ছ মাসের মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। সোমবার শ্রাবণ উপলক্ষে শিবনিবাসের শিবমন্দিরে জল ঢালতে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। তার আগেই নিজেদের ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত প্রকাশ বিশ্বাস স্থানীয় একটি পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের পর তাহেরপুরের বাসিন্দা বর্ণালী বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সোমবার সকালে অন্যদিনের মতোই ঘুম থেকে ওঠেন দু’জন। এরপর প্রকাশের বাবা মিঠুন বিশ্বাস ও মা সাবিত্রী বিশ্বাস কাজে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর খবর পান, বাড়ির ঘরে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁদের ছোট ছেলে ও পুত্রবধূ।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন। হাঁসখালি থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে। একই সঙ্গে বর্ণালীর তাহেরপুরের বাড়িতেও খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
প্রকাশের দাদু ভবেশ বিশ্বাস জানান, সোমবার শিবনিবাসের শিবমন্দিরে জল ঢালতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও অশান্তি বা মনোমালিন্যের কথা পরিবারের কারও জানা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা শিব শেখর বলেন, প্রকাশ অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিলেন। প্রতিদিন পেট্রোল পাম্পে যাতায়াতের সূত্রে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ছিল। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত।
পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
হাঁসখালির পেপুল বেড়িয়ার বৈষ্ণবঘাটা এলাকার ঘটনা। এক নবদম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিয়ের মাত্র ছ মাসের মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। সোমবার শ্রাবণ উপলক্ষে শিবনিবাসের শিবমন্দিরে জল ঢালতে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। তার আগেই নিজেদের ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত প্রকাশ বিশ্বাস স্থানীয় একটি পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের পর তাহেরপুরের বাসিন্দা বর্ণালী বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সোমবার সকালে অন্যদিনের মতোই ঘুম থেকে ওঠেন দু’জন। এরপর প্রকাশের বাবা মিঠুন বিশ্বাস ও মা সাবিত্রী বিশ্বাস কাজে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর খবর পান, বাড়ির ঘরে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁদের ছোট ছেলে ও পুত্রবধূ।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন। হাঁসখালি থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে। একই সঙ্গে বর্ণালীর তাহেরপুরের বাড়িতেও খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
প্রকাশের দাদু ভবেশ বিশ্বাস জানান, সোমবার শিবনিবাসের শিবমন্দিরে জল ঢালতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও অশান্তি বা মনোমালিন্যের কথা পরিবারের কারও জানা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা শিব শেখর বলেন, প্রকাশ অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিলেন। প্রতিদিন পেট্রোল পাম্পে যাতায়াতের সূত্রে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ছিল। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত।
পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
