Naida Deadbody Recover: চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ, মৃত্যু সদ্যজাত শিশুর, তুমুল বিক্ষোভ হাসপাতালে
Nadia: ওই মহিলার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এই সংবাদ পেয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগী পরিবারের সদস্যরা। প্রায় হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

জানা গিয়েছে, বিগত কয়েকদিন আগে ভীমপুর থানার কুলগাছি পানসিপারা অঙ্কিতা সাধুখাঁ নামে এক গর্ভবতী মহিলাকে ভর্তি করা হয় সদর হাসপাতালে। তিনি হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন ভর্তি ছিলেন। সেখানেই অবস্থার অবনতি হয়। বারবার পরিবারে পক্ষ থেকে চিকিৎসককে জানানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, তাঁদের কোনও কথাই কর্ণপাত করা হয়নি। পাশাপাশি তাঁদের আরও অভিযোগ, রোগীর অবস্থা খারাপ হলেও রোগীকে দেখভালের জন্য পরিবারের কোনও সদস্যকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
এরপর আরও অবস্থার অবনতি হয়। এরপর ওই মহিলার আজ সিজার করেন হাসপাতালের এক চিকিৎসক। এরপরই রোগীর পরিবারকে জানানো হয় গর্ভস্থ শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। ওই মহিলার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এই সংবাদ পেয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগী পরিবারের সদস্যরা। প্রায় হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। যদিও এই ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এরপর এ দিন মৃত শিশুটিকে তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত শিশুটিকে তুলে দেওয়ার পর মৃত শিশুটিকে কোলে নিয়ে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করেন পরিবার। মৃত শিশুর পরিবারের একজন বলেন, “ওর ব্যথা উঠেছিল। রুমা রায়ের আন্ডারে ভর্তি হন। উনি চিকিৎসাই করেননি। রোগীর যদি এতটাই অবস্থা খারাপ ছিল আমাদের তো আগেই বলতে পারত। আমরা নিয়ে যেতাম। পরের দিন যখন দেখল যে বাচ্চা নড়ছে সেই সময় সিজার করল।”
