SIR: মাত্র ১০ হাজার টাকাতেই খেলা ঘুরছে? চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরনোর আগেই SIRএ রোমাঞ্চকর তথ্য
SIR: বাগদার প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল ধর নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি করে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "এক বাংলাদেশির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন, পাঁচটা নাম তুলে দেবেন, তার জন্য ৫০ হাজার টাকা নেবেন। অডিয়োটা আমাদের কাছে এসেছে। আমি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। সত্যিই যদি BLO এই ধরনের কাজ করে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।"

উত্তর ২৪ পরগনা: বিএলও-কে টাকা দিয়ে বাংলাদেশির ভোটার লিস্টে নাম তোলার চেষ্টার অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার একটি ভাইরাল অডিয়ো ঘিরে শোরগোল তৈরি হয়েছে। যে অডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, তাতে শোনা যাচ্ছে, ৫ জন বাংলাদেশির জন্য ৫০ হাজার টাকা, তেমনই দাবি করছেন বিএলও। বিএলও-কে আবার টাকার তোপ দিচ্ছেন তৃণমূল। তেমনই অভিযোগ বিজেপির। যদিও এই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি TV9 বাংলা। তবে এই অডিয়োর ভিত্তিতে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ১০ হাজার টাকা দিলেই ভারতের ভোটার লিস্টে নাম উঠে যাচ্ছে বাংলাদেশির! যদিও বিএলও-র দাবি, AI ব্যবহার করে গলা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি।
বাগদার প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল ধর নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি করে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এক বাংলাদেশির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন, পাঁচটা নাম তুলে দেবেন, তার জন্য ৫০ হাজার টাকা নেবেন। অডিয়োটা আমাদের কাছে এসেছে। আমি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। সত্যিই যদি BLO এই ধরনের কাজ করে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
বাগদার বয়রা পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর বুথে বিএলও চন্দ্রকান্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। বিজেপির দাবি, এক বাংলাদেশির সঙ্গে বলা চন্দ্রকান্তের কথোপকথনের অডিয়োই ভাইরাল হয়েছে। সেই ভাইরাল অডিয়োতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, পাঁচ জনের নাম ভারতের ভোটার লিস্টে তোলার জন্য ৫০ হাজার টাকা লাগবে। অর্থাৎ মাথা পিছু ১০ হাজার টাকা। যেখানে ‘আনম্যাপড’ হয়ে রয়েছেন, সেই জায়গাটা তিনি সাদা কালি দিয়ে মুছে দেবেন। সেখানে BLO আবার ERO, AERO, মাইক্রো অবজারভার, প্রত্যেকের নাম আলাদা করে নিতে শোনা গিয়েছে বিএলও-কে।
যদিও অভিযুক্ত বিএলও চন্দ্রকান্তের বক্তব্য, “এটা সম্পূর্ণই মিথ্যা। AI-এর যুগে এই ধরনের অডিয়ো কেউ বানিয়ে থাকতেই পারে। তাঁকে ফাঁসানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে। কোন অডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, সেটাও আমার জানার প্রয়োজন নেই। সত্যতা তদন্ত করেই বোঝা যাবে।”
