AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sandeshkhali: সেই সন্দেশখালি,সেই জানুয়ারি! শুধু ED-র জায়গায় পুলিশ

Attack on Police; সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার অন্তর্গত বয়ারমারি এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়। সেই ঝামেলার পর ঘটনাস্থলে যায় রাজবাড়ি আউটপোস্টের পুলিশ। হুলোপাড়ায় মুসা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে যায় পুলিশ। তখনই পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় ও পুলিশকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Sandeshkhali: সেই সন্দেশখালি,সেই জানুয়ারি! শুধু ED-র জায়গায় পুলিশ
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 03, 2026 | 1:58 PM
Share

ন্যাজাট: ২০২৪-এর ৫ জানুয়ারি। সাত সকালে অভিযুক্তের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের যে পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল, তা নজিরবিহীন। ভেঙে দেওয়া হয়েছিল ইডি অফিসারদের গাড়ি। আজ, শনিবার অর্থাৎ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬। ঠিক দু’বছর পর আবার সেই ছবিই ফিরল সন্দেশখালিতে। গ্রামে শাহজাহান নেই তো কী! আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হামলার ঘটনা ঘটল ঠিক একইভাবে। এবার আক্রান্ত পুলিশ।

ন্যাজাটে এক অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক অফিসার সহ তিন পুলিশকর্মী। সন্দেশখালির ন্যাজাটে পুলিশের গাড়িতে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। জমি সংক্রান্ত গন্ডগোলের ঘটনায় তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল পুলিশ। গ্রামে ঢুকলেও পুলিশের উপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। ইডি অফিসারদের মতোই এবার পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে।

সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার অন্তর্গত বয়ারমারি এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়। সেই ঝামেলার পর ঘটনাস্থলে যায় রাজবাড়ি আউটপোস্টের পুলিশ। হুলোপাড়ায় মুসা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে যায় পুলিশ। তখনই পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় ও পুলিশকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী ওই এলাকায় পৌঁছে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীকে আটক করে। মোট ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ওই এলাকার প্রধান ও উপপ্রধানকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রাক্তন পুলিশকর্তা অরিন্দম আচার্য। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি। যে সব পুলিশকর্মী আইন রক্ষায় নিযুক্ত, তাঁরাই হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। থানার দরকার নেই, পার্টি অফিসে গিয়ে বসুক পুলিশ। এই পরিস্থিতির বদল না হলে মানুষ ভোটই দিতে পারবে না।” ঘটনার নিন্দা করেছেন বিরোধীরাও। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “সবাই শাহজাহানের বংশধর। সংবিধানকে তোয়াক্কা করছে না কেউ। এরা আইনের পরোয়া করছে না। জেলে থেকেই পুরো অঞ্চলটা চালাচ্ছে শাহজাহান।”