AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

North 24 Pargana: জাহাজেই ৪০ দিন আটকে বাংলার গৌতম, চিন্তায় ঘুম উড়েছে পরিবারের

গৌতমের স্ত্রী সঙ্গিতা রায় বলেন, "আব্বাস বন্দরে প্রায় ৪০ দিন ধরে জাহাজের মধ্যে আটকে আছে। সেখানে নেটওয়ার্ক না থাকায় ঠিক মত যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ওদের জাহাজে পর্যাপ্ত খাবার ও জল রয়েছে কিন্তু আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। কয়েকদিন আগে ওদের হাজারের পিছনের জাহাজে বিস্ফোরণ হয়। এই সব খবর শুনে আতঙ্কে রয়েছে।"

North 24 Pargana: জাহাজেই ৪০ দিন আটকে বাংলার গৌতম, চিন্তায় ঘুম উড়েছে পরিবারের
জাহাজে আটকে এরাImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 11, 2026 | 1:54 PM
Share

উত্তর ২৪ পরগনা: উত্তাল সমুদ্র। সেই সমুদ্রে একদিন নয়, দু’দিন নয় চল্লিশ দিন ধরে আটকে রয়েছেন বাংলার ছেলে। পণ্যবাহী জাহাজে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজে গিয়েছিলেন। তবে এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সাক্ষী তাঁকে থাকতে হবে তা হয়ত কল্পনাও করতে পারেননি। চল্লিশ দিন ধরে ইরানের আব্বাস বন্দরে জাহাজের মধ্যে আটকে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানা বকচারার বাসিন্দা গৌতম দেবনাথ। শুধু আটকে রয়েছেন বললে হয়ত কম বলা হবে, পাশে ক্রমাগত দেখছেন ক্ষেপণাস্ত্র পড়তে। তাঁদের পাশে থাকা অপর জাহাজ ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। হয়ত ঈশ্বরের কৃপায় তিনি এখনও সুরক্ষিত রয়েছেন। গৌতমবাবুর শুধু দাবি, যে করেই যেন তাঁকে ফিরিয়ে আনা হোক বাড়িতে।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে পণ্যবাহী জাহাজের কাজে গিয়েছিলেন তিনি। চল্লিশ দিন আগে শ্রীলঙ্কা থেকে জাহাজ রওনা দেয়। ইরানের আব্বাস বন্দরে গিয়ে আটকে পড়েন। গৌতম জানান, গতকাল তাদের জাহাজের পিছনের একটি জাহাজে মিশাইল পরে ধ্বংস হয়ে যায়। তারপর থেকে আতঙ্ক বেড়েছে। বাড়ি ফেরার জন্য রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

গৌতমের স্ত্রী সঙ্গিতা রায় বলেন, “আব্বাস বন্দরে প্রায় ৪০ দিন ধরে জাহাজের মধ্যে আটকে আছে। সেখানে নেটওয়ার্ক না থাকায় ঠিক মত যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ওদের জাহাজে পর্যাপ্ত খাবার ও জল রয়েছে কিন্তু আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। কয়েকদিন আগে ওদের হাজারের পিছনের জাহাজে বিস্ফোরণ হয়। এই সব খবর শুনে আতঙ্কে রয়েছে।”

গৌতম দেবনাথ ও তাঁর পরিবার সকলেই কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের কাছে বাড়ি ফেরানোর জন্য আর্জি জানিয়েছে।

Follow Us