Baduria: শ্যালিকার নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে খুন, হাড়হিম ঘটনায় আমৃত্যু কারাদণ্ড ব্যক্তির
Baduria minor physical harassed case: ধর্ষণ ও খুন—দুটি মামলারই বিচার চলছিল বসিরহাট মহকুমা আদালতে। যদিও মামলা চলাকালীন জামশেদ দাবি করে, ঘটনার দিন সে বাড়িতে ছিল না। তার দাবি অবশ্য ধোপে টেকেনি। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি স্ত্রীকে খুনের মামলায় জামশেদকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। তবে চলতে থাকে নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলা। এরপর ২০২৬ সালের ১২ অগস্ট নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলাতেও দোষী সাব্যস্ত হয় জামশেদ।

বাদুড়িয়া: নিজের শ্যালিকার নাবালিকা কন্যাকে ৩ মাস ধরে ধর্ষণ। প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে খুন। ঘটনার আট বছর পর দোষীসাব্যস্ত ব্যক্তিকে শুক্রবার আমৃত্যু কারাদণ্ড দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত। দোষীসাব্যস্ত ব্যক্তির নাম মহম্মদ জামশেদ আলি মণ্ডল।
জামশেদের বাড়ি বাদুড়িয়ার বাগজোলা এলাকায়। সরকারি আইনজীবী গোলাম মোস্তাফা জানান, স্ত্রীকে খুনের দায়ে আগেই দোষীসাব্যস্ত হয়েছে জামশেদ। সেই মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। আর শুক্রবার নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলায় দোষীসাব্যস্ত জামশেদের আমৃত্যু কারাদণ্ড হল। একইসঙ্গে নির্যাতিতাতে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। অনাদায়ে আরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও আরও ৬ মাসের জেলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
অভিযোগ, ২০১৮ সালে নিজের শ্যালিকার ১৩ বছরের মেয়েকে ভয় দেখিয়ে তিন মাস ধরে ধর্ষণ করে জামশেদ। ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল ওই নাবালিকা তার মাসি অর্থাৎ জামশেদের স্ত্রীকে সব ঘটনা জানায়। জামশেদের স্ত্রী তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে সরব হন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এই নিয়ে বিবাদ হয়। অভিযোগ, প্রতিবাদের পরদিন অর্থাৎ ৮ এপ্রিল নিজের স্ত্রীকেই খুন করে জামশেদ। ১০ এপ্রিল বাদুড়িয়া থানায় দায়ের হয় অভিযোগ।
এই ঘটনায় ধর্ষণ ও খুন—দুটি মামলারই বিচার চলছিল বসিরহাট মহকুমা আদালতে। যদিও মামলা চলাকালীন জামশেদ দাবি করে, ঘটনার দিন সে বাড়িতে ছিল না। তার দাবি অবশ্য ধোপে টেকেনি। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি স্ত্রীকে খুনের মামলায় জামশেদকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। তবে চলতে থাকে নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলা। এরপর ২০২৬ সালের ১২ অগস্ট নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলাতেও দোষী সাব্যস্ত হয় জামশেদ। এদিন সেই ধর্ষণ মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত।
