Bangladeshi Girl: ‘বাসায় যাব…’, চোখের জল বাধ মানছে না নাবালিকার, বর্ডার পার করে নিয়ে এল কারা
Girl Trafficking: পাচার করতে না পেরে সীমান্তেরই একটি বাড়ির সামনে রেখে পাচারকারীরা পালায় বলে দাবি ওই নাবালিকার। এরপর একে একে গ্রামের মানুষের মধ্যে জানাজানি হতে থাকে। ওই নাবালিকার জ্ঞান ফিরলে সে দেখে যে সে ভারতে একটি বাড়ির সামনে শুয়ে আছে। এলাকার মানুষ খবর দেয় স্বরূপনগর থানার পুলিশকে। স্বরূপনগর সীমান্তের বিএসএফ আধিকারিকদেরও খবর দেওয়া হয়। তারা এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

স্বরূপনগর: এবার মানব পাচারকারীদের জালে বাংলাদেশি নাবালিকা। জলের সঙ্গে নেশার দ্রব্য খাইয়ে অচৈতন্য অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে বলে অভিযোগ। নাম, ঠিকানা, বাবার নাম সবটাই বলছে ওই নাবালিকা। তার দাবি, আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় তাকে অপহরণ করা হয়। যারা তাকে নিয়ে এসেছিল, তাদের মধ্য়ে দুজনকে সে চেনে বলেও দাবি করেছে ওই নাবালিকা।
উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের তারালি সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩ বছরের ওই নাবালিকার বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকায়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সে তার পিসির বাড়িতে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। এরপর সে মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে যায়। তাকে পিসির বাড়িতে পৌঁছে দেবে বলে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেখানে তাকে জলের সঙ্গে নেশার দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে দেওয়া হয়।
তাকে পাচার করতে না পেরে সীমান্তেরই একটি বাড়ির সামনে রেখে পাচারকারীরা পালায় বলে দাবি ওই নাবালিকার। এরপর একে একে গ্রামের মানুষের মধ্যে জানাজানি হতে থাকে। ওই নাবালিকার জ্ঞান ফিরলে সে দেখে যে সে ভারতে একটি বাড়ির সামনে শুয়ে আছে। এলাকার মানুষ খবর দেয় স্বরূপনগর থানার পুলিশকে। স্বরূপনগর সীমান্তের বিএসএফ আধিকারিকদেরও খবর দেওয়া হয়। তারা এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
নাবালিকার চোখের জল বাধ মানছে না। সে শুধু একটাই কথা বলছে, ‘বাসায় ফিরব।’ ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে সে। বাবা একটি মোবাইলের দোকানে কর্মরত। ভারতে তার কোনও আত্মীয় নেই বলেও জানিয়েছে ওই নাবালিকা।
