AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madhyamgram: চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ, বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সরব রোগীর পরিজন

Madhyamgram: এখানেই শেষ নয়, সন্ধ্যা নাগাদ তার স্ত্রীকে স্থানান্তর করবার জন্য সমস্ত হিসেব-নিকেশ হাসপাতালের কাছে চাওয়া হলে, শুল্কহীন রশিদ পরিবারকে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে যদিও পরিবারের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে বেসরকারি ওই নার্সিংহোম।

Madhyamgram: চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ, বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সরব রোগীর পরিজন
নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে অভিযোগImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 08, 2025 | 12:30 PM
Share

মধ্যমগ্রাম: বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ। চিকিৎসার গাফিলতি হয়েছে বলে দাবি। শুধু তাই নয়, রোগী ও তার পরিবারের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুললেন পরিজনরা।

কী ঘটেছে?

মঙ্গলবার এক দম্পতি প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসার জন্য গিয়ে পৌঁছন মধ্যমগ্রামের বেসরকারি নার্সিংহোমে। সেখানে ভর্তির পর থেকেই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলছেন রোগীর স্বামী শুভঙ্কর দাস। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ওই নার্সিংহোমে ভর্তি শুরুতেই জীবন বীমার কাগজপত্র জমা করেন তাঁরা। পরবর্তীতে বেলা বাড়তেই খবর আসে রোগীর রক্তের প্রয়োজন। ২ ইউনিট রক্তের মূল্য রোগী পরিবারের থেকে দাবি করা হয়। খরচা বাবদ ওই নার্সিংহোম ৩৮০০ টাকা চায় বলে দাবি পরিবারের। তবে তার রশিদে দুই ইউনিট রক্তের মূল্য ৩১০০ টাকা লিখে দেয় তারা।

এখানেই শেষ নয়, সন্ধ্যা নাগাদ তার স্ত্রীকে স্থানান্তর করবার জন্য সমস্ত হিসেব-নিকেশ হাসপাতালের কাছে চাওয়া হলে, শুল্কহীন রশিদ পরিবারকে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে যদিও পরিবারের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে বেসরকারি ওই নার্সিংহোম। এরপর সন্ধ্যা নাগাদ ওই বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীকে স্থানান্তর করে সল্টলেকে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন শুভঙ্কর দাস। এরপর রাতে মধ্যমগ্রাম থানায় গোটা ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে।

যদিও, অভিযোগের ভিত্তিতে ওই নার্সিংহোমের কেউই কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হয়নি। শুভঙ্কর বলেন, “আমার স্ত্রী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। ওদের চিকিৎসা পরিষেবা মোটেও ভাল না। তাই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই। তার জন্য বলি বিল দিতে। কিন্তু সেই বিলে জিএসটি-র নম্বর নেই। যখনই বললাম অমনি ওরা সেটা সরিয়ে দেয়। এরপর আবার দেখি আর একটা জিএসটি বিল ধরাল। আমি টাকাও দিলাম। এদিকে আবার বিলও দিল না।”

Follow Us