Madan Mitra: মদন মিত্রের বাড়িতে এবার পুলিশের হানা! চলত বেআইনি কাজকর্ম?
Police Raid at Madan Mitra's House: পুলিশ যে বাড়িতে হানা দিয়েছে, তার নাম উদয় ভিলা। ওই ভিলাটি মূলত, মহিলা কো-অপারেটিভ সোসাইটি ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ওই জায়গা। বেশ কয়েক বছর ওই ভিলাটি বন্ধ ছিল। পরে ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ওই ভিলাটি মদন মিত্র বেআইনিভাবে দখল নেয় বলে অভিযোগ।

কামারহাটি: বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra) বাড়িতে পুলিশের হানা। রবিবার দুপুর নাগাদই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকরা। পুলিশি হানার বিষয়ে মদন মিত্র (Police Raid at Madan Mitra’s House) নিজেই জানিয়েছেন। তবে, কী কারণে বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। মদনের দাবি, পুলিশ তাঁকে এই বিষয়ে কিছু জানায়নি। তবে, পুলিশ সূত্রে খবর, মদনের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে বাড়ি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, গতকালই অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে মিছিল করেছিলেন বিধায়ক মদন মিত্র। সেইসময়ই পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। তার মধ্যেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের হানা তাৎপর্যপূর্ণ।
বেআইনি ‘দখল’ মদনের
পুলিশ যে বাড়িতে হানা দিয়েছে, তার নাম উদয় ভিলা। ওই ভিলাতে মূলত, মহিলা কো-অপারেটিভ সোসাইটি ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ওই জায়গা। বেশ কয়েক বছর ওই ভিলাটি বন্ধ ছিল। বিজেপির অভিযোগ, ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ওই ভিলাটি মদন মিত্র বেআইনিভাবে দখল নেয়। জানা গিয়েছে, ভিলাতে প্রায়ই যাতায়াত করতেন মদন। মাঝে মাঝে ওই ভিলাতে গিয়ে থাকতেনও। বিজেপির অভিযোগ, মদনের বেশ কয়েকজন অনুগামী ওই ভিলার মধ্যে বেআইনি কাজকর্ম চালাতেন।
বিজেপির অভিযোগ
গতকালই উদয় ভিলায় বেআইনি কাজকর্মের অভিযোগ তুলে বেলঘরিয়া থানায় দারস্থ হন বিজেপি কর্মীরা। তারপরই আজ ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি সাউথ দ্রুতিমান ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে বেলঘরিয়া ও কামারহাটি থানায় পুলিশ অভিযান চালায়। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, ঘর তালাবন্ধ ছিল। তালাভেঙে ভিতর ঢোকে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথিও উদ্ধার করা হয়।
কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ জমিতে কীভাবে বাড়ি তৈরি করা হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মদন মিত্র কী বললেন?
মদন মিত্র বলেন,”গণতান্ত্রিক দেশ। পুলিশ যেতেই পারে। কিন্তু কেন গিয়েছে, সেটা তো আমাকে বলেনি। আমি তো কোথাও লুকিয়ে নেই। কারণ জানতে পারলে সহযোগিতা করব। আমরা তো আর চোর ডাকাত নই। বাড়িতে যাওয়ার আগে প্রশ্ন করলে একবার ভালো হত। আমি তৈরি সবরকম সহযোগিতা করার জন্য।”
প্রসঙ্গত, গতকালই পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মদন মিত্রের বিরুদ্ধে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, পুলিশকে এসে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে বেলঘরিয়া আটকে দেওয়া হবে। তার জেরেই ঘটনার ১৮ ঘণ্টা পরে পুলিশের এই অ্যাকশন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
