Asansol: আসানসোলে RSS কার্যালয়কে নোটিস পুরনিগমের, দেওয়া হল ৭ দিনের ডেডলাইন
Asansol: আরএসএস ভবনের বিল্ডিং প্ল্যান-সহ আরও বেশ কিছু নথি চাওয়া হয়েছে তাদের থেকে। সময়ের মধ্যে ওই নথিপত্র জমা না পড়লে, পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়। তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি বিল্ডিং প্ল্যান না থাকে, তাহলে সেই বিল্ডিং ভেঙে ফেলতে হবে।

আসানসোল: এবার উত্তর আসানসোলে আরএসএস ভবনে নোটিস পাঠাল আসানসোল পুরনিগম। সংঘের ওই ভবনের থেকে সাত দিনের মধ্যে একাধিক নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আরএসএস ভবনের বিল্ডিং প্ল্যান-সহ আরও বেশ কিছু নথি চাওয়া হয়েছে তাদের থেকে। সময়ের মধ্যে ওই নথিপত্র জমা না পড়লে, পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়। তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি বিল্ডিং প্ল্যান না থাকে, তাহলে সেই বিল্ডিং ভেঙে ফেলতে হবে।
উল্লেখ্য, বেআইনিভাবে জমি দখল করার অভিযোগ কিংবা পুকুর ভরাট করার অভিযোগ নিয়ে গতকালই কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোলের আরএসএস কার্যালয়ের কথাও সেই সময় উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। মমতা জানান, তিনি শুনেছেন ওই কার্যালয়টিও নাকি পুকুর ভরাট করে তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর গতকালের ওই মন্তব্যের পরই উত্তর আসানসোলের ওই আরএসএস অফিসের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা। আর এবার আরএসএস ভবনকে সরাসরি নোটিস পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে নির্দেশ দিল আসানসোল পুরনিগম।
এই বিষয়ে আসানসোলের মেয়র জানান, “বিল্ডিং প্ল্যান-সহ বেশ কিছু নথিপত্র চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ওই কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। না-হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি বিল্ডিং প্ল্যান না থাকে, তাহলে বিল্ডিং ভাঙতে হবে।” মেয়র বিধান উপাধ্যায়ের আরও সংযোজন, আগে সার্কিট হাউজ়ের কাছে তৃণমূলেরও একটি অফিস ছিল, সেটিকেও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, মানুষের কাজের ক্ষেত্রে কোথাও কোনও দল দেখা হবে না।
আরএসএসের আইনি উপদেষ্টা পীযূষকান্তি গোস্বামী জানিয়েছেন, “আমরা খবর পেলাম পুরনিগমের থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। হয়ত সাত দিনের মধ্যে হবে না, আমরা ১৫ দিনের জন্য সময় চাইব। তবে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।”
এই নিয়ে মন্তব্য করেছেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালও। তিনি অবশ্য পুরনিগমের এই পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে মেয়র বিধান উপাধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, শহরের বাকি জায়গাগুলিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগের কথা। পাশাপাশি শহরে বেআইনি পাথর খাদানের অভিযোগের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।
