Durgapur: পেটের দায়ে মহারাষ্ট্রে কাজে গিয়েছিলেন ওঁরা, যে অভিজ্ঞতার শিকার দুর্গাপুরের ৩ যুবক
Durgapur Migrant Worker: এটাই হচ্ছে বিজেপির বাংলা বিদ্বেষী মনোভাবের প্রমাণ বলে প্রতিবাদে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের পলাশবনি এবং শিরসা এলাকার বাসিন্দা দিলীপ বাগদি, তপন বাউরি ও সমীর বাউরি মহারাষ্ট্রের একটি বেসরকারি খনি সংস্থায় কাজে গিয়েছিল। বৃ

দুর্গাপুর: ছুটিতে বাড়ি ফেরার সময় মহারাষ্ট্রের নাগপুরে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে তিন পরিযায়ী শ্রমিককে শারিরীক অত্যাচারের অভিযোগ। আক্রান্তের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বারবার হেনস্থার শিকার হচ্ছে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা। বাংলা কথা বলাই ছিল ‘অপরাধ’। এবার বাংলার তিন পরিযায়ী শ্রমিককে শারিরীক অত্যাচারের অভিযোগ মহারাষ্ট্রের একদল যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাঁদের মারধর করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র। প্রাণ হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরেছে তাঁরা।
এটাই হচ্ছে বিজেপির বাংলা বিদ্বেষী মনোভাবের প্রমাণ বলে প্রতিবাদে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের পলাশবনি এবং শিরসা এলাকার বাসিন্দা দিলীপ বাগদি, তপন বাউরি ও সমীর বাউরি মহারাষ্ট্রের একটি বেসরকারি খনি সংস্থায় কাজে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার তাঁরা ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। টোটোতে চেপে তাঁরা যখন নাগপুর স্টেশনে যাচ্ছিল, তখনই তাঁদের টোটো আটকায় একদল যুবক। তাঁদের জিজ্ঞাসা করা হয় কেন তাঁরা বাংলায় কথা বলছে। পরিযায়ী শ্রমিকরা উত্তর দেন তাঁরা বাংলার মানুষ। তারপরেই তাঁদের টেনে হিঁচড়ে নামানো হয় টোটো থেকে। তাঁদের বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হয়। তারপরেই ঘটে তাঁদের মারধর করে জিনিস-পত্র কেড়ে নেওয়া হয়।
পরে ওই তিনজন পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি থেকে অনলাইন মারফত টাকা নিয়ে কোন রকমে বাড়ি ফিরে আসে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। রবিবার সকালে তাঁদের সঙ্গে দেখা করলেন পাণ্ডবেশ্বর তৃণমূল বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । সাত দিনের মধ্যে এলাকাতেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপি নেতারা বাংলার মনীষীদের অপমান করছেন। তাঁদের কাছ থেকে আরকি আশা করা যায়। তাঁরা বাংলায় কথা বললেই তাঁদের মারধর করে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলার কেউ সুরক্ষিত নয়।” এই শ্রমিকের গায়ে গরম চা ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। টাকা পয়সা সব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাংলার মানুষ কোনদিন ক্ষমা করবে না বিজেপিকে । বাংলায় কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না বিজেপি। জেলা বিজেপির নেতা শ্রীদীপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তাঁরা ঘটনার খোঁজ নেবেন ও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
