Bengal BJP: প্রচারের মধ্যেই ভোট চাইতে প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলের বাড়িতে অগ্নিমিত্রা, নিজেও ভাবতে পারেননি এমনটাও ঘটতে পারে!
Bengal BJP: রবিবার সকালে উষাগ্রামে বাড়ি বাড়ি প্রচারের বেরিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা। তখনই তাঁর কাছে আসেন স্থানীয় বাসিন্দা গোপাল বাদ্যকর। সবাইকে চমকে দিয়ে অগ্নিমিত্রার হাত থেকে বিজেপির ঝান্ডা তুলে নেন তিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন পদ্মশিবিরে। গোপাল জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আসানসোল: প্রচারে বেরিয়েছিলেন। বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট চাইছিলেন। কিন্তু এমনটা যে ঘটতে পারে, তা ভাবতে পারেননি খোদ প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। পাড়ার একেবারে নামকরা সিপিএম নেতা তিনি। কিন্তু আর পাঁচটা বাড়ির মতো সিপিএম নেতার বাড়িতেও ভোট চাইতে গিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা। কথাবার্তা বলে তখনই দলবদলের সিদ্ধান্ত। প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলরের ছেলে অগ্নিমিত্রার হাত থেকে তুলে নিলেন বিজেপির ঝান্ডা। আসানসোলে অগ্নিমিত্রার রবিবাসরীয় প্রচারে এটাই মূল আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠল। লাল ঝান্ডা ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে আসানসোলের সিপিএম নেতা গোপাল বাদ্যকর।
রবিবার সকালে উষাগ্রামে বাড়ি বাড়ি প্রচারের বেরিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা। তখনই তাঁর কাছে আসেন স্থানীয় বাসিন্দা গোপাল বাদ্যকর। সবাইকে চমকে দিয়ে অগ্নিমিত্রার হাত থেকে বিজেপির ঝান্ডা তুলে নেন তিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন পদ্মশিবিরে। গোপাল জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বাবা মতীশ বাদ্যকর আসানসোলের ৩৪ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর ছিলেন টানা ১০ বছর। বাম আমলে বোরো চেয়ারম্যানও ছিলেন।
কেন এই দলবদল?
যোগদান শেষে গোপাল বাদ্যকরের প্রতিক্রিয়া, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আদর্শ এবং বিজেপির নীতিতে অনুপ্রাণিত। তাঁর কথায়, “অগ্নিমিত্রা পালের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সংগঠন পরিচালনার ক্ষমতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। বর্তমান দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে হঠিয়ে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের লক্ষ্যেই সপরিবারে বিজেপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিলাম।”
অগ্নিমিত্রা পাল এই যোগদানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “মানুষ বুঝতে পারছে যে একমাত্র বিজেপিই পারে প্রকৃত উন্নয়ন আনতে। পুরোনো কর্মীদের পাশাপাশি অন্য দল থেকেও মানুষ সততার টানে বিজেপিতে আসছেন।”
