Chaos in Asansol: মাইক-বিধি প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, ফাঁড়িতে দুষ্কৃতী তাণ্ডব! তুলকালাম আসানসোলে
Asansol Violence Erupts During Loudspeaker Rule: পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়া মাত্রই খবর চলে যায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে। মাঠে নামে বিশাল বাহিনী। নামে র্যাফ। ঘটনাস্থলে ছুটে যান পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

আসানসোল: ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার বিধি সংক্রান্ত প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ। আসানসোল রেলপাড়ে তুলকালাম। পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার অভিযোগ। পুলিশের গাড়িতে পর্যন্ত ভাঙচুর করা হয়েছে। আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ঘটনার পরেই দুষ্কৃতীদের ধরতে অ্যাকশনে পুলিশও। এলাকায় নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।
ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের জাহাঙ্গির মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে। সেখানেই চলে এই বেনজির তাণ্ডব। সরকারি নির্দেশিকা মেনে লাউডস্পিকারের তীব্র আওয়াজ নিয়ন্ত্রণে রেলপাড় এলাকায় বার্তা দিতে গিয়েছিল পুলিশ। এরইমাঝে আচমকা পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল সমাজবিরোধী আচমকাই চড়াও হানা দেয় জাহাঙ্গির মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি চলতে থাকে। ওঠে স্লোগান। শুধু পুলিশের গাড়ি নয়, সাধারণ মানুষের একাধিক গাড়িতেও দেদার ভাঙচুর চলে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়া মাত্রই খবর চলে যায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে। মাঠে নামে বিশাল বাহিনী। নামে র্যাফ। ঘটনাস্থলে ছুটে যান পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। ঘঠনার পর থেকে এলাকার পরিস্থিতি রীতিমতো থমথমে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।
এসপি পি সতীশ বলছেন, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে যাঁদের পাওয়া যাবে তাঁদের সবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কাউন্সিলর ফানসবি আলিয়া বলছেন, “মাইকের সাউন্ড কম করতে বলেছে বলে ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা যখন আসি তখন সব ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবে কে ভেঙেছে, কিসের জন্য ভেঙেছে জানি না।”
