Agnimitra on Abhishek: ‘আদালত যখন নির্দেশ দিয়েছে, তখন আপনি চ্যালেঞ্জ করছেন কেন?’ অভিষেককে তুলোধনা অগ্নিমিত্রার
Agnimitra Paul attacks Abhishek: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর একটা বড় হাতিয়ার ইডি-র কাছে। মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া ভয়েস ক্লিপিংয়ে কাউকে ফোন থেকে তথ্য মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ইতিমধ্যেই সেই ভয়েস ক্লিপিংয়ের সঙ্গে মিলে গিয়েছে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বর, দাবি ইডি-র।

আসানসোল: “আদালত যখন নির্দেশ দিয়েছে, তখন আপনি চ্যালেঞ্জ করছেন কেন? কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে এত আপত্তি কেন? কিসের ভয় পাচ্ছেন? বাংলার মানুষকে আপনাকে উত্তর দিতেই হবে।” কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে অভিষেকের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর সাফ কথা, দুর্নীতি, হুমকি ও অত্যাচারের বিচার হতেই হবে। অভিষেকের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়ে বলেন, “শাসকদল দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের আইন এবং ভগবানেরও ঊর্ধ্বে ভাবত বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা সারদা বলা হয়েছিল। তবে এবার আদালত ও বাংলার মানুষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অভিষেককে সমস্ত জবাব দিতেই হবে।”
এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর একটা বড় হাতিয়ার ইডি-র কাছে। মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া ভয়েস ক্লিপিংয়ে কাউকে ফোন থেকে তথ্য মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ইতিমধ্যেই সেই ভয়েস ক্লিপিংয়ের সঙ্গে মিলে গিয়েছে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বর, দাবি ইডি-র। কয়েক’শো কোটি টাকার নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হন এই কালীঘাটের কাকু। তিনি আবার অভিষেকের লিপস অ্যান্ড বাউন্সের কর্মীও ছিলেন। চার্জশিটে নাম থাকা অরুণ হাজরা এই কাকুকে ৭৮ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে সিবিআই।
অন্যদিকে বেআইনি নিয়োগের জন্য ১৯ কোটি টাকা দিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকুকে, এই দাবি আবার করেছিলেন মিডলম্যান তাপস মণ্ডল। কাকুর হাত ঘুরে শেষ পর্যন্ত কার ঘরে এই টাকাগুলি ঢুকেছে? এই প্রশ্নরই উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। জোরকদমে চলছে তদন্ত। এখন দেখার এই কেসে অভিষেকের চাপ আরও কতটা বাড়ে।
