Asmita Dey Wins Gold: কমনওয়েলথে ইতিহাস গড়লেন ত্রিপুরার অস্মিতা, জুডোতে সোনা পেল ভারত!
Commonwealth Games 2026: দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়ার বাসিন্দা অস্মিতা দে একটি সাধারণ পরিবারের সদস্য। তাঁর বাবা একজন সাইকেল মেকানিক। আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্যেও খেলাধুলোর প্রতি ভালবাসা ত্যাগ করেননি অস্মিতা। প্রথমে ৮০০ মিটার দৌড় থেকে শুরু করে অবশেষে জুডোকেই পাকাপাকি নিজের পছন্দের বিষয় করে নেন অস্মিতা।

গ্লাসগো: ত্রিপুরা বলতেই মনে পড়ে দীপা কর্মকারের কথা। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে চতুর্থ স্থানে এসে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন দীপা। তাঁর প্রদুনোভা ভল্ট রাতারাতি শোরগোল ফেলে দিয়েছিল গোটা দেশে। এবার সেই ত্রিপুরা থেকেই আবার এক অগ্নিকন্যার সাফল্যে মুখরিত হল দেশ। কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ ইতিহাস গড়লেন ভারতের জুডোকা অস্মিতা দে। শুক্রবার ২৩ বছর বয়সী ত্রিপুরার বাসিন্দা অস্মিতা কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের হয়ে প্রথম সোনার পদক জিতে নজির গড়লেন। মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগের ফাইনালে তিনি কানাডার হেইডি কোয়াচকে হারালেন ২-১ ব্যবধানে। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচ এমনকি গড়িয়েছিল গোল্ডেন স্কোর পর্যন্ত।
তার পাশাপাশি প্রথম ভারতীয় পুরুষ হিসেবে সোনা জিতলেন হর্ষ সিং। একদিনে জুডোতে জোড়া পদক এল ভারতের। প্রথম থেকে টানটান খেলা শুরু হলেও নির্ধারিত সময় অবধি স্কোর ড্র থাকায় গোল্ডেন স্কোরে খেলা গড়ায়। সেখানেই কোয়াচকে পরাস্ত করেন অস্মিতা। সেমিফাইনালে স্কটল্যান্ডের সামার শ’কে পরাস্ত করে ফাইনালে ওঠেন তিনি। সেখানেই সোনা এনে দিলেন ভারতকে।
দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়ার বাসিন্দা অস্মিতা দে একটি সাধারণ পরিবারের সদস্য। তাঁর বাবা একজন সাইকেল মেকানিক। গতবছর ডিসেম্বরে প্রয়াত হয়েছেন তাঁর বাবা। কিন্তু, অস্মিতা লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্যেও খেলাধুলোর প্রতি ভালবাসা ত্যাগ করেননি অস্মিতা। প্রথমে ৮০০ মিটার দৌড় থেকে শুরু করে অবশেষে জুডোকেই পাকাপাকি নিজের করে নেন অস্মিতা। ২০১৫ সালে ভর্তি হন ত্রিপুরার স্পোর্টস স্কুলে। অতীতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন অস্মিতা। ২০২২ সালে এশিয়ান জুনিয়র জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ, ২০২৩ এ এশিয়ান ওপেনে রুপো, জুনিয়র এশিয়ান কাপ জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা, ২০২৪ এ কমনওয়েলথ জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ, ২০২৫ এ আফ্রিকান ওপেনে সোনা জেতার পর কমনওয়েলথ গেমসে আবার দেশকে স্বর্ণপদক এনে দিলেন অস্মিতা।
