AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Medinipur: ‘ডাক্তারকে মারিনি তো, ধমকেছি শুধু’, তৃণমূল নেতার সাফাইয়ে তাজ্জব পুলিশও

Medinipur: জানা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ  এক বৃদ্ধাকে বাড়িতে এসে দেখার জন্য চিকিৎসক নিখিল কুমার ঘোষকে আনতে গিয়েছিলেন কর্ণগড় অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি কাঞ্চন চক্রবর্তী। কিন্তু ওই চিকিৎসক বাড়ি গিয়ে রোগী দেখতে অস্বীকার করেন। অভিযোগ, তখনই ওই গ্রামীণ চিকিৎসককে তাঁর চেম্বারের মধ্যেই বেধড়ক মারধর করেন তৃণমূল নেতা। মারধর করার পর তাঁকে রীতিমতো তুলে নিয়ে গিয়ে রোগী দেখতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ। পরবর্তীতে শালবনি থানার দ্বারস্থ হন নিগৃহীত চিকিৎসক নিখিল কুমার ঘোষ।

Medinipur: 'ডাক্তারকে মারিনি তো, ধমকেছি শুধু', তৃণমূল নেতার সাফাইয়ে তাজ্জব পুলিশও
তৃণমূল নেতার 'দাদাগিরি'Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 1:38 PM
Share

মেদিনীপুর: তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গুন্ডামির অভিযোগ! গ্রামীণ চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে! নেতার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের! যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার আজব দাবি! ‘মারি নি তো, শুধু ধমকেছি!’ ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য মেদিনীপুর কর্ণগড়। বাড়িতে গিয়ে কেন ডাক্তার রোগী দেখবেন না, তাই তার চেম্বারে গিয়ে তাঁকে মারধরের অভিযোগ  উঠেছে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।

জানা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ  এক বৃদ্ধাকে বাড়িতে এসে দেখার জন্য চিকিৎসক নিখিল কুমার ঘোষকে আনতে গিয়েছিলেন কর্ণগড় অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি কাঞ্চন চক্রবর্তী। কিন্তু ওই চিকিৎসক বাড়ি গিয়ে রোগী দেখতে অস্বীকার করেন। অভিযোগ, তখনই ওই গ্রামীণ চিকিৎসককে তাঁর চেম্বারের মধ্যেই বেধড়ক মারধর করেন তৃণমূল নেতা। মারধর করার পর তাঁকে রীতিমতো তুলে নিয়ে গিয়ে রোগী দেখতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ। পরবর্তীতে শালবনি থানার দ্বারস্থ হন নিগৃহীত চিকিৎসক নিখিল কুমার ঘোষ।

নিগৃহীত ওই চিকিৎসকের দাবি, করোনা কালের পর থেকেই তিনি বাড়ি গিয়ে রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। বারবার এই কথা ওই তৃণমূল নেতাকে জানানোর পরেও তাঁকে মারধর করে তাঁর বাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় । একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রোগীর বাড়িতে গিয়ে তিনি দেখেন বহু আগেই মৃত্যু হয়েছে রোগীর। ঘটনার পর থেকে ভাদুতলা ছেড়ে আতঙ্কে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন অন্যত্র।

অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কাঞ্চন চক্রবর্তীর দাবি, “মারধর নয়, বাড়ি এসে রোগী দেখার কথা অস্বীকার করলে  ধমক দিয়েছিলাম।” প্রশ্নের মুখে পড়ে রীতিমত অস্বস্তিতে শাসকদলের এই দাপুটে নেতা। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শাসক দল ও প্রশাসনকে নিশানা করেছেন গেরুয়া শিবির। বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি ডঃ শঙ্কর গুছাইত অভিযোগ করেন, “আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি, যেখানে একজন ডাক্তার সুরক্ষিত নয় । পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”