TMC Leader’s Wife: ঘর থেকে উদ্ধার তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দগ্ধ দেহ, মৃত্যু ঘিরে রহস্য
TMC Leader’s Wife Found Dead: বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা প্রথম ওই গৃহবধূর দগ্ধ দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে জামুরিয়ার কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

আসানসোল : শ্বশুরবাড়ির ঘরে থেকে তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দেহ উদ্ধার। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামুড়িয়া থানার সোনপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম পম্পা মণ্ডল (৪০)। মঙ্গলবার সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে পম্পার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। পম্পার স্বামী পাণ্ডবেশ্বর ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নরোত্তম মণ্ডল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা প্রথম ওই গৃহবধূর দগ্ধ দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে জামুরিয়ার কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার পেছনের মূল কারণ জানতে এবং মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে পম্পা স্বামী নরোত্তম মণ্ডলকে ইতিমধ্যে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রে খবর, নরোত্তম মণ্ডল পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নরেন চক্রবর্তীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। উল্লেখ্য, ভোট-পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজির অভিযোগে তিনি আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন জেল হেফাজতে থাকার পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান। স্বামী জামিনে মুক্ত হয়ে ঘরে ফেরার পরই এমন রহস্যজনক পরিস্থিতিতে স্ত্রীর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হওয়ায় ঘটনার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পম্পা মণ্ডলের বাপের বাড়ি সালানপুর থানার সামডি গ্রামে। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও এই মৃত্যুর নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি নিছক আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তা খতিয়ে দেখতে সবদিক থেকে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
