Chandrakona news: ‘ইনস্ট্যান্ট আপডেট’ নোটিফিকেশন দেখেই সুইচ অফ করেছিলেন, ফোন খুলতেই নিঃস্ব হয়ে গেলেন জয়ন্ত
Chandrakona: এরপর তিনি নিজের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টের ডিটেইলস চেক করে দেখেন, গুজরাটের বাসিন্দা সচিন কুমার নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ৫৩ হাজার টাকা, মহম্মদ সালেম নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং আরও দু'জনের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ২ হাজার টাকা।

চন্দ্রকোনা: একটা মেসেজ এসেছিল। তাতে নাকি লেখা ছিল ‘ইন্সস্ট্যান্ট আপডেট’। আর সেটা দেখে কিছু বুঝতে না পেরে মোবাইল ফোনটাই সুইচ অফ করে দেন। পরে যখন ফোন খোলেন মাথায় হাত। একদম নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন তিনি। অ্যাকাউন্টে যা যা টাকা ছিল সব গায়েব। কী করে হল? কার্যত স্তম্ভিত ওই ব্যক্তি।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা (Chandrakona) ১ নম্বর ব্লকের খড়কপুর গ্রামের ঘটনা। সেখানেই প্রতারণার শিকার জয়ন্ত পলমাল। পেশায় তিনি কৃষক। গ্রামে তাঁর একটি ছোট কৃষি ভাণ্ডারের দোকান রয়েছে। জয়ন্তর দাবি, গত ২৪ তারিখ শনিবার রাতে হঠাৎই তাঁর মোবাইলে ‘ইনস্ট্যান্ট আপডেট’ নোটিফিকেশন আসতে থাকে। প্রথমে কিছু বুঝতে না পেরে মোবাইলটি সুইচ অফ করে দেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাঁর SBI অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত টাকা উধাও। কৃষকের দাবি, অ্যাকাউন্টে ছিল ৭৫ হাজার টাকা।
এরপর তিনি নিজের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টের ডিটেইলস চেক করে দেখেন, গুজরাটের বাসিন্দা সচিন কুমার নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ৫৩ হাজার টাকা, মহম্মদ সালেম নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং আরও দু’জনের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ২ হাজার টাকা। এছাড়াও বেশ কয়েকজনের অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর চেষ্টা হলেও ‘ফেলড’ দেখাচ্ছে। সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি জয়ন্তের। ঘটনার পর তিনি পুলিশ, সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং ব্যাঙ্কে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার মানুষজন। প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা রাখলেও তা কিভাবে অন্যের অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে? ভবিষ্যৎ কোথায়? এখন প্রশাসনের দিকেই তাকিয়ে জয়ন্ত সহ গোটা এলাকাবাসী।
