Bhimrul: ভুল করে চাকে হাত লেগে গিয়েছিল, প্রাণটাই বাঁচানো গেল না বৃদ্ধার
Burdwan Incident: গুরুতরভাবে আক্রান্ত সচীরানি শর্মাকে পরিবারের সদস্যরা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলে। রাতে শারীরিক অবস্থার কিছুটা স্থিতিশীলতা আসায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বর্ধমান: ভীমরুলের হানায় মৃত্যু হল এক ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধার। মৃতার নাম সচীরানি শর্মা। তিনি বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের শালবাগানের বাসিন্দা। পরিবারের দাবি, ভীমরুলের কামড়ের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাড়ি ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের অসুস্থ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুর ১টা নাগাদ বাড়ির পাশের একটি বহুতলের নীচে জঙ্গলের মধ্যে থাকা ভীমরুলের চাকের কাছে চলে যান সচীরানি। অসাবধানতাবশত তিনি চাকটিতে হাত দিয়ে ফেলেন। এরপরই চাক থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ভীমরুল বেরিয়ে এসে তাঁকে আক্রমণ করে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় শতাধিক ভীমরুল তাঁকে কামড়ায়।
বৃদ্ধাকে বাঁচাতে ছুটে যান প্রতিবেশীরা। তাঁদেরও ভীমরুল আক্রমণ করে। আক্রান্ত হন প্রতিবেশী পশু চিকিৎসক পার্থ সরকারও। ভীমরুলের কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে বর্ধমান শহরের উপকণ্ঠে জাতীয় সড়কের বামচাঁদাইপুর এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে গুরুতরভাবে আক্রান্ত সচীরানি শর্মাকে পরিবারের সদস্যরা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলে। রাতে শারীরিক অবস্থার কিছুটা স্থিতিশীলতা আসায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে বাড়ি ফেরার পর ফের অসুস্থতা বোধ করেন বৃদ্ধা। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেও তার আগেই বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। ভীমরুলের হুলের আঘাতে অসুস্থতার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মৃতার নাতি বিশ্বজিৎ শর্মা বলেন, আমরা রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে নিতেই বাড়িতে মৃত্যু হয় ঠাকুমার।
প্রতিবেশী পশু চিকিৎসক পার্থ সরকারও ঘটনার ভয়াবহতার কথা জানান। বৃদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে তিনিও ভীমরুলের আক্রমণের শিকার হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসা করতে হয়।
