
পূর্ব বর্ধমান: কালনা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩৭ নম্বর পাটের ৩২ জন হিয়ারিংয়ের ডাক পেয়েছেন। কালনা মহকুমা শাসকের দফতরে তাঁদের হিয়ারিং। কিন্তু হিয়ারিংয়ের জন্য থাকা ১৩ টি নথির মধ্যে তাঁদের কাছে রয়েছে বাড়ির পুরনো দলিল। কারও কাছে রয়েছে ১৯৭৫ সাল, কারও কাছে ১৯৮০, আবার কারও কাছে রয়েছে ১৯৮৫ সালের পুরনো দলিলও। কিন্তু হিয়ারিংয়ের সেই সমস্ত ডকুমেন্টস কোন ভাবেই মান্যতা দেয়া হচ্ছে না। কালনার ২৩৭ নম্বর পাটের ৮ থেকে ১০ জন বিপাকে পড়েছেন হিয়ারিংয়ে আসে। ঘটনায় চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌরভ হালদারের দাবি, চক্রান্ত করে নাম বাদ দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি সরকার।
কালনার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাঠিগঙ্গা এলাকার দাস পাড়ার বাসিন্দা সাধন দাস ও তাঁর বোন মালতি দাসের তাঁদের রয়েছে ১৯৭৫ সালে দলিল। অন্যদিকে মালতি পাল তারও রয়েছে ১৯৮০ সালের দলিল। একই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন ওই এলাকার শ্যামাপদ শীল ও মনোরঞ্জন পালরাও। সকলেরই দাবি, ১৩ টি নথির মধ্যে একটি নথি দলিল রয়েছে। তা সত্ত্বেও এটি জমা নেয়া হচ্ছে না। কেউ কাজ করেন অন্যের বাড়িতে, কেউ চালান টোটো, কেউ করেন দিনমজুরি। একদিন কাজ বন্ধ করে হিয়ারিং গিয়ে, তা না হওয়ায় হতাশ তাঁরা।
একজন বলেন, “আমাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এখন বলা হচ্ছে ডমিশিয়াল সার্টিফিকেটের কথা। ডোমিশিয়াল সার্টিফিকেট তৈরির জন্য প্রয়োজন, তৎকালীন সময় কার জন্ম সার্টিফিকেট কিংবা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট। তা আমাদের নেই, তাহলে কীভাবে আমরা এই ডোমেশিয়াল সার্টিফিকেট করব?”
কপালে চিন্তার ভাঁজ এলাকাবাসীদের মধ্যে। এপ্রসঙ্গে কালনা মহকুমার মহকুমা শাসক অহিংসা জৈন বলেন, “দলিল কোন সরকারি নথি নয়, তাদেরকে ডোমিশিয়ালের জন্য আবেদন করতে হবে।”