Minority Politics: ‘ভোট লুঠেও…’ সংখ্যালঘুদের কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, এবার বললেন হাইকোর্টের আইনজীবী
MinorityVotersinWB Politics: কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ আলি আফজলের অভিযোগ, বিগত দিনে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্যই মুসলিম সম্প্রদায়কে ব্যবহার করেছে পূর্বতন শাসকদলগুলি। ভোটলুট থেকে শুরু করে ব্রিগেডের জনসভায় ভিড় বাড়ানো—প্রতিটি ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সমাজকে কেবল ব্যবহারের রাজনীতিতে সামিল করা হয়েছে।

ভাতার: বঙ্গ রাজনীতিতে ‘সংখ্যালঘু’ বরাবরই একটি ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করেছে। এই ২৭ শতাংশ ভোট বরাবরই ক্ষমতার সমীকরণ নির্ধারণে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই ভোটব্যাংকের সমীকরণে বড় ধরনের বিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে ও পরে অর্থাৎ উপনির্বাচনের সময়েও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বার্তায় সাড়াও দেন তাঁরা। কিন্তু এবার সংখ্যালঘুদের নিয়েও বড় কথা বললেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ আলি আফজল।
পারিবারিক বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এসে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-এর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের রিজিওনাল কনভেনর তথা কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ আলি আফজল।
তাঁর অভিযোগ, বিগত দিনে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্যই মুসলিম সম্প্রদায়কে ব্যবহার করেছে পূর্বতন শাসকদলগুলি। ভোটলুট থেকে শুরু করে ব্রিগেডের জনসভায় ভিড় বাড়ানো—প্রতিটি ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সমাজকে কেবল ব্যবহারের রাজনীতিতে সামিল করা হয়েছে।
এদিন ভাতার বাজারের একটি লজে পৌঁছলে তাঁকে মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা কনভেনর অরূপ মৃধা-সহ অন্যান্য স্থানীয় কার্যকর্তারা।
ভাতারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে সৈয়দ আলি আফজল দাবি করেন, একসময় এখানে রাষ্ট্রবাদী শক্তির রাজনৈতিক জমি তৈরি করা কঠিন ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এবং স্থানীয় মানুষ রাষ্ট্রবাদী বিধায়ক নির্বাচিত করেছেন। এদিন সৈয়দ আফজল দাবি করেন, কীভাবে এতদিন সংখ্যালঘুরা ব্যবহৃত হয়েছেন। তাঁর কথায়, “বাংলার মুসলমানদের চাকরি নেই, ব্যবসা নেই। অশিক্ষিত মুসলমানদের সিপিএম ব্যবহার করেছে। ব্রিগেড-শহিদ মিনার ভরাতে ব্যবহার করা হয়েছে। মমতাও ঝান্ডা ধরতে মুসলমানদেরই ব্যবহার করেছেন। আর ভোট লুঠ করতে, সেখানেও সংখ্যালঘুদেরই ব্যবহার করা হয়েছে।”
