Laxmir Bhandar: ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছিল হাইকোর্ট, ৮ দিন আগেই ময়নায় ঢুকতে শুরু করল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
Purba Medinipur: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচা এবং গোজিনা দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে বঞ্চিত ছিলেন এলাকার কয়েক হাজার মহিলা। যা নিয়ে গত ২০ জানুয়ারী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ময়নার বাকচার পঞ্চায়েত সুনিতা মণ্ডল। তাঁর পরেই ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় ১৯ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্য সরকারকে।

পূর্ব মেদিনীপুর: বিজেপি করেন, সেই কারণে লক্ষ্মীর ভান্ডার (Laxmir Bhandar) পাচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ করছিলেন হাজার-হাজার মহিলা। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ ছিল আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডার বঞ্চনা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কোনওভাবেই টাকা আটকে রাখা যাবে না। এই মামলায় কোর্টের পরবর্তী শুনানির ঠিক আগেই তড়িঘড়ি বর্ধিত হারে ফেব্রুয়ারি মাসের টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। যার জন্য খুশি মহিলারা। তবে বকেয়া রয়েছে পাঁচ মাসের টাকা।
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচা এবং গোজিনা দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে বঞ্চিত ছিলেন এলাকার কয়েক হাজার মহিলা। যা নিয়ে গত ২০ জানুয়ারী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ময়নার বাকচার পঞ্চায়েত সুনিতা মণ্ডল। তাঁর পরেই ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। হাইকোর্টের এই নির্দেশের পরই তড়িঘড়ি লক্ষ্মীর ভান্ডারের সদ্য ঘোষিত ১৫০০ টাকা ঢোকে ওই দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মহিলাদের অ্যাকাউন্টে।
তবে বকেয়া গত ৬ মাসের প্রাপ্য লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিয়ে শুনানি রয়েছে আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল বিজেপি করার অপরাধে দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রাপক এক মহিলা বলেন, “পাঁচ থেকে ছ’মাসের টাকা ঢোকেনি। সেটা এবার ঢুকেছে। খুব খুশি আমরা। তবে পাঁচ মাসের বকেয়া পাইনি।”
ময়না পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শেখ শাজাহান বলেন, “নতুন বাজেট অনুযায়ী লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ঢুকে গিয়েছে অ্যাকাউন্টে। পোর্টালে একটা অসুবিধা হচ্ছিল। সেটা ঠিক করা হয়েছে। আশা করি পরে এই অসুবিধা হবে না।” বিজেপির বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান প্রসেনজিৎ ভৌমিক বলেন, “লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে কেস করি। দীর্ঘদিন ধরে মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন না। বারবার ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছিল। এরপর হাইকোর্ট রায় দিতেই ঢুকতে শুরু করল।”
