Mandarmani: সমুদ্রের মাঝে ভয়াবহ বিপদ মন্দারমনিতে, অ্যালার্ট দিয়েও কোনও লাভ হল না
Mandarmani Accident: সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বারবার মাইকিংও করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যটক ও হোটেল অ্যাসোসিয়েশনকেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের ঘটনায় যাঁরা নিখোঁজ হয়েছেন, তাঁরা পর্যটক ছিলেন না।

মন্দারমনি: ফের সমুদ্র স্নানে নেমে বিপত্তি। দিঘার কাছেই মন্দারমনির সমুদ্র সৈকতে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। বাঙালির অন্যতম পছন্দের গন্তব্য এই মন্দারমনি। সেখানেই স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন তিনজন। বিকেল ৪টের পর থেকে খোঁজ পাওয়া যানি দু’জনের। উদ্ধার হয়েছে এক নাবালকের দেহ।
সোমবার বিকেল ৪ টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ২৪ বছর বয়সী এক যুবক ও তাঁর স্ত্রী (১৮) সাঁতার কাটতে নেমেছিলেন। সঙ্গে ১০ বছরের এক নাবালকও ছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তাদের বাড়ি নদিয়া জেলায়। নাবালকের বাড়ি কৃষ্ণনগরে এবং বাকি দুজনের বাড়ি শান্তিপুরে। স্নান করতে করতেই সবার চোখের সামনে তলিয়ে যান তাঁরা তিনজনই।
তড়িঘড়ি নুলিয়ারা উদ্ধারকাজে হাত লাগান। নাবালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাকি দুজনের খোঁজ এখনও চলছে। মন্দারমণি থানার পুলিশ ও নুলিয়াদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। চলছে উদ্ধারকাজও।
সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বারবার মাইকিংও করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যটক ও হোটেল অ্যাসোসিয়েশনকেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের ঘটনায় যাঁরা নিখোঁজ হয়েছেন, তাঁরা পর্যটক ছিলেন না। তাঁরা দিঘা মোহনা এলাকায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে ৯০ জন নুলিয়া রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আগামিদিনে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে সিসিটিভি, গাড়ি ও পায়ে হেঁটে নজরদারি অব্যাহত রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ দুজনের নাম সুমন শীল (২৪বছর) ও বৃষ্টি শীল(১৮ বছর)। সোমনাথ হালদার নামে নাবালকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
