AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Purulia: ২৫ লাখের সুলভ শৌচাগার এখন মদের ঠেক! ধু ধু মাঠে কেনই বা এই শৌচালয়?

স্থানীয় মানুষজন বলেন, "কাদের জন্য সেই শৌচালয় তৈরি করা হয়েছিল, জানা নেই। জনবসতিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে এই জনমানবহীন এলাকায় শৌচালয় কেন তৈরি করা হল?" বিজেপি পরিচালিত হুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানও স্বীকার করে নিয়েছেন যে জায়গায় ওই শৌচালয় রয়েছে, সেখানে কোনও জনমানব নেই।

Purulia: ২৫ লাখের সুলভ শৌচাগার এখন মদের ঠেক! ধু ধু মাঠে কেনই বা এই শৌচালয়?
এই সেই শৌচালয়Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 14, 2026 | 2:36 PM
Share

পুরুলিয়া: ২৫ লক্ষ টাকা খরচে তৈরি করা হয়েছিল শৌচালয়। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছিলেন ওই সুলভ শৌচালয়। সেই শৌচালয় এখন খাঁ খাঁ করছে। জনমানব শূন্য এলাকা। ওখানে যে একটা সুলভ শৌচালয় আছে, সেটাই হয়ত জানেন না স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই। সেই শৌচালয়ে এখন বসে মদের আড্ডা।

একেবারে জন মানবহীন এলাকা। যেদিকেই যাওয়া যাক না কেন এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মানুষ বসবাস করেন না। সেই নির্জন জায়গাতেই পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের অর্থে তৈরি করা হয়েছিল এই সুলভ শৌচালয়। বসানো হয়েছিল জলের ট্যাঙ্ক, সোলার প্যানেল। বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজও সম্পূর্ণ হয়েছিল। টাইলস বসানো ঝকঝকে সেই শৌচালয় উদ্বোধনের পর কোনওদিন চালু হয়নি।

২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে সেই শৌচালয় তৈরি করা হয়েছিল কার স্বার্থে, সেটাই বুঝে উঠতে পারেন না স্থানীয় মানুষজন। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ এই সুলভ শৌচালয় তৈরির কাজ শেষ হয়েছিল। দেখাশোনা করার জন্য কেউ ছিল না। যার ফলে সোলার প্যানেলও চুরি গিয়েছে। ইলেকট্রিক বোর্ড থেকে সুইচ, কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। টাইলস বসানো সে শৌচালয়ে এখন সন্ধ্যের পর বসে মদের আসর। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য এটা যদি হুড়া ব্লক মোড়ে করা হত, তাহলে বহু মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারতেন।

স্থানীয় মানুষজন বলেন, “কাদের জন্য সেই শৌচালয় তৈরি করা হয়েছিল, জানা নেই। জনবসতিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে এই জনমানবহীন এলাকায় শৌচালয় কেন তৈরি করা হল?” বিজেপি পরিচালিত হুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানও স্বীকার করে নিয়েছেন যে জায়গায় ওই শৌচালয় রয়েছে, সেখানে কোনও জনমানব নেই। ওই জায়গায় শৌচালয় নির্মাণ করে শুধুমাত্র অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো এই বিষয়ে কিছুই বলতে চাননি। তবে, তৃণমূল কংগ্রেসের হুড়া ব্লক সভাপতি সুভাষ মাহাতো বলেন, “যদি কোনও অপকর্ম চলে, সেটা আমরা দেখছি।”