AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee: পুরুলিয়া এসে বিক্ষুব্ধদের ডেকে পাঠালেন মমতা, বন্ধ ঘরে কীসের বার্তা দিলেন?

সূত্রের খবর, মানবাজার বিধানসভার বিদায়ী বিধায়িকা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানি টুডুর বিরুদ্ধে দলের নেতৃত্ব ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। নিজের এলাকায় উন্নয়ন সে ভাবে হয়নি বলে দাবি ছিল তাঁদের। এমনকী সন্ধ্যা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না বলেও অভিযোগ।

Mamata Banerjee: পুরুলিয়া এসে বিক্ষুব্ধদের ডেকে পাঠালেন মমতা, বন্ধ ঘরে কীসের বার্তা দিলেন?
পুরুলিয়ায় বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে বৈঠকImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 28, 2026 | 8:34 PM
Share

পুরুলিয়া: সামনে রয়েছে নির্বাচন (Election)। রাজ্যজুড়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁদের হোটেলে ডেকে কাজে নামার নির্দেশ দিলেন মমতা।

একসঙ্গে কাজ করার বার্তা আজ থেকে নয়, সেই লোকসভা ভোটের সময় থেকে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরেফে। দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছেন, একসঙ্গে মিলে মিশে কাজ করতে হবে। এরপর আসছে বিধানসভা নির্বাচন। জেলার একাধিক বিধানসভা এলাকায় দলেরই নেতৃত্বের ক্ষোভ দেখা দিয়ে ছিল বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তা আরও প্রকটভাবে দেখা দেয়। প্রার্থী নির্বাচনের আগে থেকেই বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় দলের নেতৃত্ব প্রকাশ্যে মুখ খুলতে শুরু করেন।

এমনকী, কেউ আবার দলের বিদায়ী মন্ত্রীর কাজ নিয়ে অসুন্তুষ্ট হয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে ক্ষোভের কথা জানান। এরপর আজ জেলায় প্রচারে এসে সেই বিক্ষুব্ধদের ডেকে পাঠান তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানবাজার বিধানসভার বিক্ষুব্ধদের পাশাপাশি জয়পুর বিধানসভার নেতৃত্ব জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি উজ্জল কুমারছাড়াও পুরুলিয়া পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার বৈদ্যনাথ মন্ডলকেও ডেকে পাঠানো হয়। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের ক্ষোভ বিক্ষোভ শোনার পর  নির্বাচনের কাজে নামতে বলেন।

সূত্রের খবর, মানবাজার বিধানসভার বিদায়ী বিধায়িকা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানি টুডুর বিরুদ্ধে দলের নেতৃত্ব ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। নিজের এলাকায় উন্নয়ন সে ভাবে হয়নি বলে দাবি ছিল তাঁদের। এমনকী সন্ধ্যা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না বলেও অভিযোগ।

এরপর পুরুলিয়া পৌরসভা সঠিক উন্নয়ন না করার অভিযোগ এনে রাজ্যের নগর উন্নয়ন দফতর তৃণমূল পরিচালিত পুরুলিয়া পৌরসভার পৌরবোর্ড ভেঙে দেন। তারপর থেকেই দলের কাউন্সিলররা বিক্ষুব্ধ হয়ে যান। প্রার্থী ঘোষণার পরেও তারা দলের হয়ে প্রচারে নামেননি। একাধিক বার মিটিং ডাকলেও সেই মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকেন দলীয় কাউন্সিলররা। সেই কাউন্সিলরদের মধ্যে সি আইসি তথা ১৯নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈদ্যনাথ মন্ডলকেও ডেকে পাঠানো হয়। তাঁকেও দলীয় প্রার্থীর হয়ে ভোটে নামতে নির্দেশ দেন সুপ্রিমো

যদিও বিক্ষুব্ধরা জানিয়েছেন, তাঁরা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে মাঠে নামবেন। জেলা সভাপতি রাজীব লোচন সোরেন বলেন, “কিছু জায়গায় ত্রুটি রয়েছে। সেই সমস্যার সমাধান করার জন্যই এখানে আলোচনা হয়েছে। যদি দলকে কেউ ভালবাসে তাহলে নিজেদের ইগো মান অপমান ভুলে গিয়ে বিজেপিকে হারানোর জন্য কাজ করা দরকার নিজের নিজের ক্ষেত্রে।”

Follow Us