Purulia: প্রথম বিয়ে লুকিয়ে নার্সের সঙ্গে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ! ৩০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ কলকাতা পুলিশের এক কর্মীর বিরুদ্ধে
Purulia Fraud Case: অভিযুক্ত কলকাতা পুলিশে ১৯৯৯ সালের ৬৫ নম্বর ব্যাচের কনস্টেবল হরমোহন মেহেতা। অভিযোগ, নিজের নাম, ঠিকানা পরিচয় এবং প্রথম পক্ষের বিয়ের কথা গোপন করে জেলার এক সরকারি নার্সিং স্টাফের সঙ্গে মেলামেশা শুরু করেন। দীর্ঘদিন প্রেমের পর হরমোহনকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ওই নার্স। কিন্তু তাতে সম্মতি দিচ্ছিলেন না হরমোহন।

পুরুলিয়া: ভুয়ো পরিচয় দিয়ে আলাপ, তারপরে প্রেম। প্রথম পক্ষের বিয়ে গোপন রেখে এক নার্সের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ কলকাতা পুলিশের এক অফিসারের বিরুদ্ধে। তিনি আবার পুরুলিয়ার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পুরুলিয়া মফ্ফস্বল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারপরেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পাল্টা হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত কলকাতা পুলিশে ১৯৯৯ সালের ৬৫ নম্বর ব্যাচের কনস্টেবল হরমোহন মেহেতা। অভিযোগ, নিজের নাম, ঠিকানা পরিচয় এবং প্রথম পক্ষের বিয়ের কথা গোপন করে জেলার এক সরকারি নার্সিং স্টাফের সঙ্গে মেলামেশা শুরু করেন। দীর্ঘদিন প্রেমের পর হরমোহনকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ওই নার্স। কিন্তু তাতে সম্মতি দিচ্ছিলেন না হরমোহন।
মহিলার দাবি, ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল কাশীপুরের একটি রেজিস্ট্রি অফিসে যান তাঁরা। সেখানে পরিচয় পত্র আলাদা দেখালে সন্দেহ হয় মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীর। কারণ হরমোহন এতদিন ধরে নিজের নাম দুলাল বলে এসেছিলেন তাঁর কাছে, জানিয়েছিলেন তিনি রাঘবপুর গ্রামের বাসিন্দা। সেখানে আইনি বিয়ে হয় দুজনের।
অভিযোগ, এরপরেই শুরু হয় দফায় দফায় প্রতারণার ছক। অভিযুক্ত তার সঙ্গে ৩০ লক্ষ টাকার প্রতারণা করেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি প্রথম পক্ষের বিয়ে জানতে পারেন। প্রতিবাদ করাতেই শুরু হয় অশান্তি। মফ্ফস্বল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জেলার পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি জানিয়েছেন, তিনি অভিযোগ সম্পর্কে অবগত। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
