AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Abhishek Banerjee: মহেশতলায় হাজার কোটি টাকার জমি দুর্নীতির অভিযোগ, পরপর FIR নিয়ে জবাব দিলেন অভিষেক

Maheshtala Land Scam Allegations: রাতারাতি মহেশতলা জিনজিরা বাজার এলাকার একাধিক পুকুর ভরাট করে সরকারি জমিতে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের। এই গোটা ঘটনায় হাজার কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

Abhishek Banerjee: মহেশতলায় হাজার কোটি টাকার জমি দুর্নীতির অভিযোগ, পরপর FIR নিয়ে জবাব দিলেন অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
| Edited By: | Updated on: Jul 28, 2026 | 8:47 PM
Share

মহেশতলা: ফের আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। মহেশতলায় হাজার কোটি টাকার জমি দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়াল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের। অভিষেক-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেন বিজেপি নেতা। এদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে পরপর এফআইআর নিয়ে কড়া জবাব দিলেন অভিষেক।

কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মহেশতলা থানায় হাজার কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ দায়ের করেন অভিজিৎ দাস। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন ডিএম, এসডিও এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা একাধিক ব্যক্তিও।

অভিযোগকারী বিজেপি নেতার দাবি, মহেশতলা জিনজিরা বাজার এলাকায় রাস্তার ধারে ৫২ বিঘা জমি নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ওই এলাকায় একসময় প্রায় ১১টি পুকুর ছিল। সেই পুকুরগুলি ভরাট করে সেখানে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে।

অভিজিৎ দাসের আরও দাবি, এই জমিগুলি সরকারি সম্পত্তি। তাঁর অভিযোগ, যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরির জন্য সরকারের কাছ থেকে পি সি চন্দ্র সংস্থা ওই জমি নিয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০১৬ সালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে ওই জমি পি সি চন্দ্রের হাত থেকে সৃজন গ্রুপের কাছে চলে যায় বলে অভিযোগ বিজেপি নেতার। এরপরই রাতারাতি ওই এলাকার একাধিক পুকুর ভরাট করে সরকারি জমিতে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এই গোটা ঘটনায় হাজার কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিজিৎ দাস।

শুধু তাই নয়, এই অভিযোগের সঙ্গে একাধিক WBCS এবং IAS আধিকারিকও জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। গোটা বিষয়টির নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে মহেশতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি এই নেতা। এর আগেও অভিষেকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

কড়া জবাব অভিষেকের-

তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক এফআইআর নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করে কড়া জবাব দিলেন অভিষেক। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “আমার মনে হয়, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকার প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে আয়ুষ্মান ভারত ও লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার চেয়ে আমার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতেই বেশি সময় ব্যয় করেছে।” এরপরই তাঁর বার্তা, “এইসব কৌশলে আমি ভয় পাই না কিংবা থেমে যাই না। আপনারা যা করার করুন, আমি জনগণের দেওয়া দায়িত্ব পালন করে যাব।”

Follow Us