AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kultali: ৭০০ থেকে ১৭০-এ নেমে এসেছে পড়ুয়া সংখ্যা, প্রধান শিক্ষিকাকে দায়ী করে গেটে তালা

Kultali: স্কুলের মেন গেটে তালা দিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে আটকে বিক্ষোভ কুলতলিতে। ব্যাপক উত্তেজনা করুণাময়ী বালিকা বিদ্যায়তনে। খবর পেয়ে এলাকায় আসে পুলিশ। শেষে পুলিশের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।

Kultali: ৭০০ থেকে ১৭০-এ নেমে এসেছে পড়ুয়া সংখ্যা, প্রধান শিক্ষিকাকে দায়ী করে গেটে তালা
সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার অভিযুক্ত শিক্ষিকার
| Edited By: | Updated on: Jan 06, 2024 | 6:07 PM
Share

কুলতলি: ঠিকমতো চলে না স্কুলের পঠনপাঠন। দীর্ঘদিন থেকেই স্কুলে আসেন না প্রধান শিক্ষিকা। অভিভাবকদের অভিযোগ, যে কারণেই লাটে উঠেছে পড়াশোনা। পড়ুয়াদের সংখ্যা ৭০০ থেকে ১৭০ জনে নেমে এসেছে। এরইমধ্যে এদিন প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্কুলের মেন গেটে তালা দিয়ে চলল বিক্ষোভ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা কুলতলিতে। 

কুলতলির একমাত্র গার্লস স্কুল বিদ্যালয় করুণাময়ী বালিকা বিদ্যায়তন। অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকেই স্কুলে ঠিকমতো পড়াশোনা চলছে না। অভিযোগ প্রধান শিক্ষিকা গার্গী তালুকদার এই স্কুলের অবনতির জন্য দায়ী। প্রধান শিক্ষিকাকেই চেনেন না পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ। স্কুলে তাঁর দেখাই মেলে না। এদিন তাঁর স্কুলে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই অভিভাবকরা একজোট হয়ে স্কুলে চলে আসেন। স্কুলে মেন গেটে ঝুলিয়ে দেন তালা। শুরু হয় বিক্ষোভ। 

খবর পেয়ে স্কুলে আসে মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশ। ওসি স্বপন বিশ্বাসের কাছেও নিজেদের সমস্য়ার কথা তুলে ধরেন অভিভাবকেরা। শেষে পুলিশের হস্তক্ষেপেই ওঠে বিক্ষোভ। অভিভাবক সুখরঞ্জন রায় বলছেন, “২০১৯ সালে গার্গী তালুকদার হেড দিদিমণির দায়িত্ব নিয়ে স্কুলে আসেন। তারপর থেকেই দেখা যায় স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা হু হু করে কমে যাচ্ছে। কারণ জানতে চাইলে উনি বলেন এটা অশিক্ষিত এলাকা। তাই এই অবস্থা। এ নিয়ে অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক ডাকতে বললেও উনি ডাকেন না। উল্টে পুলিশ কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।”

যদিও গার্গী দেবী বলছেন, “ওরা অনেক মিথ্যা কথা বলছে। এলাকার লোকজন অনেক কিছু জানে না। তাই এসব বলছে। আমি মেডিক্যাল লিভে ছিলাম। আজ জয়েন করেছি। এর আগে অনলাইনে অনেক কাজ করেছি। কিন্তু, কেউ কোনও কথা শুনছে না। আমি আর এখানে থাকতে চাই না।”

Follow Us