Baruipur Youth Death: বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক থেকে বেরেতো চেয়েছিল অরুণাভ, কিন্তু সব শেষ…! রূপাকে নিয়ে তোলপাড় বারুইপুর
Baruipur Youth Death Blackmail Case: মৃতের পরিবারের সদস্যদের দাবি, সম্পর্কে থাকাকালীন অরুণাভের কাছ থেকে নানাভাবে টাকা-পয়সা, নানা সুযোগ-সুবিধা নিতে রূপা। সম্প্রতি ওই যুবক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও তাঁর উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ।

বারুইপুর: সম্পর্কে টানাপোড়েন। শেষে ব্ল্য়াকমেইলের জেরে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা বারুইপুরে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে বারুইপুর থানার সামনে বিক্ষোভ ফুলতলার নেতাজি নগর এ-ব্লকের বাসিন্দাদের। মৃতের নাম অরুণাভ হালদার। পরিবার সূত্রে খবর, ওই এলাকারই বাসিন্দা রূপা দাসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল অরুণাভর। রূপা বিবাহিত। তাঁর বিরুদ্ধেই উঠছে গুরুতর অভিযোগ।
মৃতের পরিবারের সদস্যদের দাবি, সম্পর্কে থাকাকালীন অরুণাভের কাছ থেকে নানাভাবে টাকা-পয়সা, নানা সুযোগ-সুবিধা নিতে রূপা। সম্প্রতি ওই যুবক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও তাঁর উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ। করা হয় ব্ল্যাকেমেইলও। পরিবারের দাবি, সেই চাপ সহ্য করতে না পেরেই ২২ তারিখ আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অরুণাভ। পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে ফদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। গত ২৪ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনায় ইতিমধ্যেই বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবার। কিন্তু মূল অভিযুক্ত রূপা দাস ও তাঁর স্বামীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। মঙ্গলবার রাতে থানা ঘেরাও করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও কড়া শাস্তির দাবি তোলেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এর আগেও রূপা একাধিক যুবকের সঙ্গে একেই কাজ করেছেন। তাঁদের দাবি, রূপা ও তাঁর স্বামীকে পালাতে সাহায্য করেছেন রূপার স্বামীর কাকা ও কাকিমা। তাঁদের পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায় এলাকার লোকজন। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। চাপানউতোর চলছে এলাকায়।
