SIR Death: SIR আতঙ্কে অসুস্থ, অক্সিজেনের নল গুঁজে শুনানিতে এলেও যাতায়াতের ধকলে মৃত্যু বৃদ্ধের
SIR Death: মৃতের পরিবারের দাবি, ২০০২-এর তালিকায় নাম না দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বছর আটষট্টির বৃদ্ধ নাজিতুল মোল্লার। তিনি জয়নগর দুই নম্বর ব্লকের গড়দেওয়ানি গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ঠাকুরেরচক এলাকার বাসিন্দা। ওই বৃদ্ধ আতঙ্কিত হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে। এরই মধ্যে এসআইআর-এর শুনানির ডাক আসে তাঁর।

জয়নগর: বাংলাজুড়ে এসআইআর নিয়ে অভিযোগ কম নেই। একাধিক পরিবার অভিযোগ করেছে, এসআইআর আতঙ্কে পরিজনদের হারিয়েছে তারা। এই আবহের মধ্যেই আবারও মর্মান্তিক ঘটনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু। শুনানিতে ডাক আসতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি বলে দাবি পরিবারের। অক্সিজেনের নল গুঁজে এসেছিলেন হাজিরা দিতে। তবে যাতায়াতের ধকলে মৃত্যু জয়নগরের সেই বৃদ্ধের। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় এলাকা।
মৃতের পরিবারের দাবি, ২০০২-এর তালিকায় নাম না দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বছর আটষট্টির বৃদ্ধ নাজিতুল মোল্লার। তিনি জয়নগর দুই নম্বর ব্লকের গড়দেওয়ানি গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ঠাকুরেরচক এলাকার বাসিন্দা। ওই বৃদ্ধ আতঙ্কিত হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে। এরই মধ্যে এসআইআর-এর শুনানির ডাক আসে তাঁর। নাকে অক্সিজেনের নল গুঁজেই শুনানিতে হাজির হন তিনি। শুনানি শেষে ফের হাসপাতালে ফিরেই মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের দাবি, গত কয়েক দিন ধরেই এসআইআর নিয়ে দুশ্চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তার উপর শুনানির ধকল সহ্য করতে পারেননি বৃদ্ধ।
মৃতের ছেলে হারুন মোল্লা বলেন, “বাবা এসআইআর নিয়ে খবর শুনত। আমাদের জিজ্ঞাসা করত। আমরাও বলতাম। বিডিও থেকে নোটিস এসেছিল। আমাদের পাড়া চলছে আমার দাদু-ঠাকুরদার নামে। অথচ আমাদের নাম নেই। নাম না থাকায় আতঙ্কিত ছিল। বারবার বলত, আমার নাম নেই তোদের কী হবে। এই সবের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভর্তি করা হয় কলকাতার চিত্তরঞ্জনের। এবার এরই মধ্যে শুনানির দিন ধার্য হয়। তখন বাবার যা তথ্য লাগবে সেগুলো তো উনি ছাড়া কেউ বলতে পারবে না আমরা ছুটি চেয়েছিলাম। হাসপাতাল ছুটি দিতে চায়নি। তাও নিয়ে এসেছিলাম। এত ধকলে মারা গিয়েছে।”
তবে এই ঘটনার পর উঠছে প্রশ্ন, কমিশন যখন নিয়ম করে দিয়েছে অসুস্থদের ভার্চুয়াল শুনানি হবে, এমনকী শুনানির দিন আলাদাও হতে পারে। তারপরও কেন এই ঘটনা?
