AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর ‘মৃত্যুকামনা’ করেছিলেন, এবার হুমায়ুনের ‘বিচারের ভার রেজিনগরের হাতে তুলে’ দিলেন শুভেন্দু

Suvendu Adhikari attacks Humayun kabir: রেজিনগরের উপনির্বাচন থেকে হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বার্তা, 'রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, কিন্তু এই ধরনের ভাষা কেউ ব্যবহার করে না।...আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম।'

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর 'মৃত্যুকামনা' করেছিলেন, এবার হুমায়ুনের 'বিচারের ভার রেজিনগরের হাতে তুলে' দিলেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Oct 01, 2026 | 5:30 PM
Share

মুর্শিদাবাদ: দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করে ঘৃণ্য রাজনীতির নির্লজ্জ নজির গড়েছিলেন নওদার বিধায়ক হুমায়ন কবীর (Humayun Kabir)। এবার হুমায়ুনের বিচারের ভার রেজিনগরের উপর ছেড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। আজ উপনির্বাচনের প্রচারে রেজিনগরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর বার্তা, ‘রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, কিন্তু এই ধরনের ভাষা কেউ ব্যবহার করে না।…আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম।’

কী বলেছিলেন হুমায়ুন কবীর? 

দিন কয়েক আগে সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর বলেন, “আমাদের অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে। আমি চাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। শুক্রবারে নমাজ পড়ব, বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালা যেন ওকে ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়। ছত্তিশগঢ়ের একজন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? ইন্দিরা গান্ধী-রাজীব গান্ধীকে কীভাবে যেতে হয়েছে? এর এত অহংকার? অহংকারের পতন হবে। ওইভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।”

হুমায়ুনকে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর

রেজিনগরের উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর স্পষ্ট বার্তা, ‘শাখারভ সরকারের জয় কেউ আটকাতে পারবেন না।’ রেজিনগরে বিজেপির জয় কীভাবে নিশ্চিত, সেই বিষয়ে বলতে গিয়ে হুমায়ুন কবীরের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। রেজিনগরে সিপিএম, কংগ্রেস বা তৃণমূল কেউ এতটুকু জমি পাবে না দাবি করেছেন শুভেন্দু। এরপরই হুমায়ুনের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “বাকি থাকল একজন। তিনি বলছেন অজিত পাওয়ার প্লেন অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেল, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী নাকি আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রতি শুক্রবার ওপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করব যাতে পৃথিবী থেকে তুলে নেয়। এই লোককে ভোট দেবেন? আমরা শত্রু হলেও এই ধরনের কথা মুখে আনি না। রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, লড়াই হবে, বাক্য বিনিময় হবে, তর্ক হবে, আলোচনা-সমালোচনা হবে, একজন জিতবে, অন্যরা হারবে। আর এখানে হুমায়ুন সাহেব বলছেন, আমি প্রতি শুক্রবার প্রার্থনা করছি, যাতে ওপরওয়ালা তাড়াতাড়ি মুখ্যমন্ত্রীকে অজিত পাওয়ারের মতো তুলে নেয়। আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম।”

হুমায়ুনকে আক্রমণ করে বলেন,”আপনার লোকরাই আপনার কাছ থেকে সরে গিয়েছে। কংগ্রেসকে ছুরি মেরেছেন অধীর চৌধুরীকে। আপনি যখন মন্ত্রী ছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বলেছি বিধায়ক চাইছেন নাকি মন্ত্রী চাইছেন, সেদিন রেজিনগরের লোক আপনাকে হারিয়েছিল। আপনাকে আশ্রয় দিয়েছিল মুকুল রায়। আপনি বিজেপির সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। শেষ আশ্রয় ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আপনিও বিভাজনের রাজনীতি করে ধর্মীয় স্থানকে সামনে রেখে আপনি আপনার রাজনীতি করেছেন। বিধানসভায় উনি গিয়েছেন নওদা থেকে। এই পাঁচ মাসে নওদা থেকে একটা ইটও দিতে পারেননি। আগামী ৫৫ মাসও পারবেন না। ভোট দেবেন কেন?” তাঁর দাবি, ‘মানুষের মৃত্যুকামনা যাঁরা করেন, তাঁদের পতন অনিবার্য।’

পাঁচ মাস সরকারে এসে বিজেপির কাজের খতিয়ানও তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। আবাস থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধার কথা তুলে ধরেন। রেজিনগরে উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, রেজিনগর শিল্প তালুক হবে। রেজিনগর মডেল বিধানসভা হবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে দুই কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। নওদা ও রেজিনগরের প্রার্থী হন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। দুই কেন্দ্র থেকেই জয়লাভ করেন হুমায়ুন। নিয়ম মেনে রেজিনগরের আসন ছেড়ে দেন হুমায়ুন। সেই আসনেই উপনির্বাচন হবে ৬ অক্টোবর।

Follow Us