CM Suvendu Adhikari: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের আয়রন ম্যান, শাহজি এখন আমার ওপরেই দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন: শুভেন্দু
CM On CAA Certificate: শুভেন্দুর কথায়, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যাঁরা প্রাণ আর ধর্ম বাঁচাতে এসেছেন, তাঁরা কিন্তু অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী।" আর হিন্দু শরণার্থীদের CAA সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রেও ডেডলাইন বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে।

রায়গঞ্জ: ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে। CAA সার্টিফিকেট দেওয়ার সমস্ত দায়িত্ব এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেই দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রায়গঞ্জে এসে আরও একবার হিন্দু শরণার্থীদের আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ” আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়রন ম্যান, অমিত শাহজি এখন আমার ওপরেই দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন, CAA সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য।”
রায়গঞ্জের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী তথ্য দিয়ে জানান, BSFকে ইতিমধ্যেই ৭.৯৫৬ একর জমির মধ্যে ৭.৯১৬১ একর জমি হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে। সেকথা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, “শরণার্থীদের CAA দেব। জেলাশাসককে বলে গেলাম, ৯ হাজার আবেদন রয়েছে, যারা কেবলমাত্র হিন্দু হওয়ার কারণে বাংলাদেশ থেকে জামাতিরা তাড়িয়ে দিয়েছে, তাঁদেরকে CAA তে নাগরিকত্ব দেব।”
এর আগেই অবশ্য সিএএ সার্টিফিকেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার করে দিয়েছেন অনুপ্রবেশকারী এবং শরণার্থীর মধ্যে ফারাক। তিনি জানান, যাঁরা জীবন এবং ধর্ম বাঁচাতে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁরা কোনও ভাবে অনুপ্রবেশকারী নন। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যাঁরা প্রাণ আর ধর্ম বাঁচাতে এসেছেন, তাঁরা কিন্তু অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী।” আর হিন্দু শরণার্থীদের CAA সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রেও ডেডলাইন বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে দেন, “৯ হাজার আবেদনের মধ্যে যাঁরা তফশিলি জাতি, SC সার্টিফিকেট পাবেন। জানুয়ারি মাসের ভোটার লিস্টেও তাঁদের নাম উঠবে।” মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও একবার আহ্বান জানান, “এখনও যে সমস্ত CAAএর আওতায় থাকা শরণার্থী আবেদন করেননি, তা করুন। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়রন ম্যান, অমিত শাহজি এখন আমার ওপরেই দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন, CAA সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য। হিন্দু, শিখ, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন-তাঁরাই পাবেন নাগরিকত্ব।”
তবে বাংলাদেশি সন্দেহে আটকদের মধ্যে যাতে কোনও হিন্দু শরণার্থী না থাকেন, সেটাও প্রশাসনকে ভালোভাবে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জেলাশাসককে সামনে রেখে বলে গিয়েছি। একজনও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী যাতে জেলে না থাকে। তার আইনি প্রক্রিয়া করতে হবে।”
