
রবিবার কালীঘাটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন মন্দিরে পুজো দেন শাহ।
চোরবাগানে বিপর্যয়ের ঘটনায় গ্রেফতার সাতজন। আটক ১৪ জনের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে সাত জনকে। তালিকায় রয়েছেন পুজো কমিটির সম্পাদক, সহ-সভাপতি, মণ্ডপের বাঁশের কাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি, ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী এবং বেসরকারি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই ব্যক্তি।
গ্রেফতার করা হয়েছে পুজো কমিটির সম্পাদক রাজকুমার সেওদা ওরফে রাজা (৪৮)। তিনি গিরিশ পার্ক থানা এলাকার মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের বাসিন্দা। সহ-সভাপতি শান্তনু দুবে (৫৫)। তিনিও গিরিশ পার্ক থানা এলাকার বাসিন্দা। মণ্ডপের বাঁশের কাঠামো নির্মাণের কাজে যুক্ত ছিলেন বিপ্লব মুখোপাধ্যায় ওরফে জয় (৪৮)। নারকেলডাঙা থানা এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং ভিআইপি পাস পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন কৌশিক সাহা (৫৩)। তিনি সল্টলেকের বাসিন্দা। ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন পিন্টু দে (৫১)। তাঁর বাড়ি এপিসি রোডে।
এ ছাড়াও তালিকায় রয়েছেন দুই বেসরকারি নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। তাঁরা হলেন সুমন চক্রবর্তী (৩০) এবং রাজেশ পাল (২৯)। সুমনের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট এলাকায়। রাজেশ হুগলির গোঘাটের বাসিন্দা।
দুর্গাপুজোর মধ্যেই কলকাতায় জারি হল ১৬৩ ধারা। কলকাতার পুলিশের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রবিবার, ১৮ অক্টোবর থেকে মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের জন্য এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বহাল থাকতে পারে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, লাঠি, মারাত্মক অস্ত্র কিংবা অন্য কোনও বিপজ্জনক অস্ত্র বহনেও নিষেধাজ্ঞা থাকছে। শুধু তাই নয়, শহরের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হতে পারে কিংবা জনসাধারণের মধ্যে অশান্তি ছড়াতে পারে, এমন কোনও কার্যকলাপও করা যাবে না।
কলকাতা পুলিশ মর্গে সকাল থেকে শুরু হয়েছে ময়নাতদন্ত। ১৯টি দেহের ময়নাতদন্ত চলছে।
আজ ঘটনাস্থলে আসবে ফরেনসিক সায়েন্স এক্সপার্টরা। নমুনা নেবেন তাঁরা।
গিরিশ পার্ক থানায় দায়ের মামলা।
রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর শুরু হয়েছে গ্রেফতারি।
চোরবাগানের ঘটনার পর আসরে সব বিরোধীদল গুলি। এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছে তারা। এবার বিরোধীদের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ‘মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করবেন না।’ বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তৃণমূল আমল উত্তরবঙ্গ বিপর্যয়ের কথাও ফের মনে করালেন তিনি।
চোরবাগানের ঘটনায় বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৪ জন। তাঁদের মধ্যে ৩ জন সিসিইউ (CCU) এবং ৩ জন এইচডিইউতে (HDU) আছেন। আপাতত তাঁরা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের দেখতে সকাল সকাল ওই বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছন রাজ্যপাল।
চোরবাগান সর্বজনীনে বিপর্যয়ের ঘটনায় অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২৫ জনের মৃত্যু। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার রাতে চোরবাগানে বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। আহত হয়েছেন ২৫ জন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দোষীদের রেয়াত করা হবে না। স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিটিভি দেখে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ সকালে আহতদের দেখতে হাসপাতালে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাবেন অমিত শাহ। আজ দিনভর সেদিকেই নজর থাকবে।