Bangladesh: ভারত নিয়ে বড় মন্তব্য BNP-র ক্রীড়ামন্ত্রীর, তারেক শপথ নিতেই দেশ ছাড়লেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের হর্তা-কর্তারা!

Bangladesh Sports Minister on T-20 World Cup: এক সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন আমিনূল হক। এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে কূটনীতির টানাপোড়েনেই এমনটা হয়েছে। তিনি বলেন, "আপনারা জানেন যে কূটনৈতিক জটিলতায় আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি।"

Bangladesh: ভারত নিয়ে বড় মন্তব্য BNP-র ক্রীড়ামন্ত্রীর, তারেক শপথ নিতেই দেশ ছাড়লেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের হর্তা-কর্তারা!
বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনূল হক।Image Credit source: X

|

Feb 18, 2026 | 3:30 PM

ঢাকা: বাংলাদেশে রিসেট। নতুন করে ফিরল গণতন্ত্র। তৈরি হল নির্বাচিত সরকার। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কও নতুন করে লেখা হবে বলেই আশা করা হচ্ছে। এর মাঝেই বড় কথা বললেন বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনূল হক। ভারতের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ার আবহে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) ও বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (BCCI) মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সুসম্পর্ক স্থাপন করার আশা প্রকাশ করলেন।

২০২৪ সালে হাসিনা সরকারের পতন ও মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। সেই বিতর্ক, দ্বন্দ্ব শুধুমাত্র দুই দেশের কূূটনীতিক স্তরে সীমাবদ্ধ নয়, তা আরও নানা স্তরে গণ্ডি পার করে।

প্রথমে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বাদ এবং তারপরে চলতি বছরে টি২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলতে আসা নিয়ে আপত্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ২২ গজের মাঠেও সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রভাব পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নতুন সরকার সেই সম্পর্ক আবার শোধরানোর ইঙ্গিত দিল।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের পরই বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনূল হক বলেন, “শপথ নেওয়ার পর আমি ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনারের সঙ্গে দেখা করি পার্লামেন্ট বিল্ডিংয়ে। আমি (টি২০ বিশ্বকাপ ইস্যু) কথা বলেছি। উনি খুব বন্ধুত্বপূর্ণ, ওঁর সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা হয়েছে।

আমিনূল জোর দেন যে ঢাকা এই বিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে এবং দ্রুত মিটিয়ে ফেলতে চায়। বলেন, “আমি ওঁকে বলেছি যে এই ইস্যু আমরা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত মিটিয়ে ফেলতে চাই কারণ আমরা সমস্ত প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বের সম্পর্ক রাখতে চাই। ক্রীড়া থেকে শুরু করে সমস্ত ক্ষেত্রে আমরা ব্যক্তিগত ও নিষ্ঠাপরায়ণ সম্পর্ক তৈরি করতে চাই।”

এক সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন আমিনূল হক। এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে কূটনীতির টানাপোড়েনেই এমনটা হয়েছে। তিনি বলেন, “আপনারা জানেন যে কূটনৈতিক জটিলতায় আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। যদি এই সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হত এবং মিটিয়ে নেওয়া হত, তাহলে হয়তো আমরাও খেলতাম।”

বিসিবি নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়া মন্ত্রী। বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনূল ইসলামের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরোক্ষে প্রশ্ন তুলে বলেন, “ক্রিকেট বোর্ড নির্বাচনে আমি আগেও বলেছিলাম এবং এখনও বলব যে এটা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। আইসিসি বিষয়টি দেখে। নিয়ম-কানুনের অধীনে থেকে যা কিছু করার, তা আলোচনা করে করা হবে। আমি এই বিষয়টি নিয়ে সবকিছু পর্যালোচনা করে তারপর মন্তব্য করব।”

এদিকে, নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ার পরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনূল ইসলাম বুলবুল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দেশ ছেড়েছেন। চিফ এগজেকিউটিভ নিজামুদ্দিন চৌধুরীও অস্ট্রেলিয়ায় নিজের পরিবারের কাছে চলে গিয়েছেন।