
ঢাকা: বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের অবসান। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন খালেদা পুত্র। হিসাব মতো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর গণভবনে থাকা উচিত, কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট গণভবনে যে তাণ্ডবলীলা, লুঠপাট চালিয়েছিল উন্মত্ত জনতা, তারপর আর তা বাসযোগ্য নেই। তাহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোথায় থাকবেন?
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় থাকবেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ কথা বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির পুলিশ কর্মকর্তা মীর আসাদুজ্জামান। যমুনায় বেশ কিছু সংস্কার করা হবে। তারপরে এখানে সপরিবারে থাকতে আসবেন তারেক রহমান। আনুমানিক দুই মাস সময় লাগতে পারে।
তবে যমুনা তো এখন মহম্মদ ইউনূসের ঠিকানা। হাসিনা সরকারের পতনের পর, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই সরকারি এই অতিথি ভবনকে নিজের বাসভবন বানিয়ে নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনূস। তাঁর স্ত্রী, মেয়েও এখানে থাকেন। এখনও থাকছেন। তবে এবার তাঁকে যমুনা ছাড়তে হবে।
সূত্রের খবর, আগামী এক সপ্তাহের মধ্য়েই যমুনা ছেড়ে দেবেন মহম্মদ ইউনূস। এক সপ্তাহ পরে এই সরকারি বাসভবন ছেড়ে যেবেন। গিয়ে থাকতে পারেন গুলশানে তাঁর নিজস্ব বাড়িতে। সেই বাড়িতে এখন কাজ চলছে বলেই যমুনা ছেড়ে চলে যেতে পারছেন না। ইউনূস এই সরকারি বাসভবন ছেড়ে গেলে, তা একমাসের মধ্যে তারেক রহমানের পছন্দসই বাসভবনে রূপান্তর করা হবে।
শুধু যমুনা নয়, বাংলাদেশও কি ছেড়ে চলে যাবেন মহম্মদ ইউনূস? এই জল্পনাও বেশ কয়েকদিন ধরে শোনা যাচ্ছে। হাসিনা সরকারের পতনের আগেও বিদেশে ছিলেন মহম্মদ ইউনূস। এবারও কি দেশ ছেড়ে চলে যাবেন?
সূত্রের খবর, আপতত বাংলাদেশেই থাকবেন মহম্মদ ইউনূস। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জাপানে যাবেন মহম্মদ ইউনূস। তারপর আবার বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।
শোনা যচ্ছে, ইউনূস সেন্টারে অফিস শুরু করবেন। আগামী সপ্তাহ থেকে, যমুনায় বসেই ব্যক্তিগত কাজ করবেন। তারপরে তিনি ইউনূস সেন্টারের কার্যালয়ে কাজ শুরু করবেন। শূন্য দারিদ্র, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণের, থ্রি জিরো কনসেপ্ট নিয়ে কাজ শুরু করবেন আবার।