Bangladesh: ভারতের ঘাড়ে হাদির খুনের দায় চাপানোর চেষ্টা, ‘মিথ্যুক’ বাংলাদেশের মুখোশ খুলে দিল ‘অভিযুক্ত’ মাসুদই

Osman Hadi Death Controversy: নিজের ঠিকানা বলার পাশাপাশি কেন বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, তাও জানিয়েছেন ফইজল। হাদির হত্যার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করলেন। পুরোটাই চক্রান্ত বলে দাবি করলেন। মিথ্যা অভিযোগের কারণে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। 

Bangladesh: ভারতের ঘাড়ে হাদির খুনের দায় চাপানোর চেষ্টা, মিথ্যুক বাংলাদেশের মুখোশ খুলে দিল অভিযুক্ত মাসুদই
ওসমান হাদি ও মাসুদ।Image Credit source: X

|

Jan 01, 2026 | 8:42 AM

দুবাই: হাদি হত্যাকাণ্ডে বিরাট মোড়। মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে গেল বাংলাদেশের দাবি। ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির হত্যার পরই উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ, হাদির হত্যাকারীদের ধরার জন্য সরকারকে ডেডলাইনও দিয়েছিল ক্ষুব্ধ জনতা। তখন বাংলাদেশের পুলিশ দাবি করেছিল, হাদির হত্যাকারী ভারতে পালিয়ে গিয়েছে। সেই দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিলেন ফইজল করিম মাসুদ, যার বিরুদ্ধে হাদিকে হত্য়ার অভিযোগ।

ফইজল করিম মাসুদ নিজেই ভিডিয়ো পোস্ট করে বললেন যে তিনি ভারতে নেই। হাদির হত্যাকাণ্ডের পরই চলে গিয়েছেন দুবাই। অর্থাৎ বাংলাদেশ পুলিশ ভারতের ঘাড়ে দায় ঠেলার যে চেষ্টা করেছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হল। ভারত সরকারের দাবি যে সত্য ছিল, তা সকলের সামনে প্রমাণিত হল।

নিজের ঠিকানা বলার পাশাপাশি কেন বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, তাও জানিয়েছেন ফইজল। হাদির হত্যার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করলেন। পুরোটাই চক্রান্ত বলে দাবি করলেন। মিথ্যা অভিযোগের কারণে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

হাদির হত্যাকাণ্ডের আগে তাঁর অফিসে যাওয়ার কথা স্বীকার করে নেন মাসুদ। তবে ইনকিলাব মঞ্চের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক পুরোটাই ব্যবসা সংক্রান্ত ছিল। তিনি দাবি করেন যে হাদির হত্যাকারী যে বাইক আরোহীকে দেখিয়েছে, সেটা তিনি নন। তাঁর ভাইকেও মিথ্যা ফাঁসানো হচ্ছে। তাঁর পরিবারকে এই ঘটনার পর থেকেই হেনস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি হাদির অফিসে গিয়েছিলাম। আমি বিজনেসম্যান, আমার আইটি ফার্ম আছে, আগে অর্থ মন্ত্রকে কাজ করতাম। কাজের বিষয় নিয়েই আমি হাদির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। ও অ্যাডভান্স চেয়েছিল। আমি ৫ লক্ষ টাকাও দিয়েছিলাম। অনেক প্রোগ্রামে আমায় অনুদান দিতে বলত, আমি সেই অনুযায়ী টাকাও দিয়েছিলাম।”

দুবাইতে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, “মিথ্যা অভিযোগের কারণেই তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন এবং দুবাইতে এসেছেন। পাঁচ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি দুবাই ভিসা থাকা সত্ত্বেও অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে।”

তাহলে ওসমান হাদিকে খুন করল কে? মাসুদের দাবি, জামাতের হাত রয়েছে এর পিছনে। হাদি জামাতের তৈরি ছাত্র নেতা ছিল এবং জামাতের হাতই রয়েছে হাদির হত্যার পিছনে।