Bangladesh Loot: ‘অনেক সাধনার পর পেয়েছি, হাসিনার বাড়ির ডাব খাব’, হাসিমুখে ‘বীরত্ব’ জাহির আন্দোলনকারীদের! এটাই বিপ্লব?
Bangladesh Unrest: ৬ ফেব্রুয়ারি যখন বঙ্গবন্ধুর বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে, তখন বাইরে দাঁড়িয়ে লোকজন উল্লাস করছে। রক্ষা পায়নি বাড়ির চত্বরে লাগানো নারকেল গাছটাও। কার্যত গাছ মুড়িয়ে সমস্ত ডাব নিয়ে গিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

ঢাকা: এ কোন বাংলাদেশ? এক বছর আগের ছবির সঙ্গে বর্তমানকে মেলাতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। ৬ মাস আগে, ৫ অগস্ট যখন বাংলাদেশে সরকারের পতন হয়েছে, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা, সেই সময় গণভবনে ঢোকে আন্দোলনকারী ও জনতা। তারপরের ছবিটা নিশ্চয়ই মনে আছে? লুঠতরাজ চলেছিল হাসিনার বাড়িতে। তাঁর শাড়ি-ব্লাউজ থেকে শুরু করে দামি টিভি, ওয়ারড্রোব, হাঁস, মুরগি, মাছ- সবই চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল। অদ্ভুত এক উল্লাসে মেতেছিল তারা। ৬ মাস পর সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি। এবার নিশানা শেখ মুজিবর রহমানের বাড়ি। ৩২, ধানমন্ডির বাড়ি আগুন লাগিয়ে. বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা। সেই সঙ্গে দেদার চুরি, লুঠতরাজও চালিয়েছে। আবার নিজেরাই গর্ব করে বলছেন, কী কী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছেন।
নতুন বাংলাদেশে লুঠ করাই যেন বীরত্বের কাজ। তা সে হাসিনার শাড়ি হোক বা মুজিবের লাইব্রেরিতে রাখা বই। গতকাল, ৬ ফেব্রুয়ারি যখন বঙ্গবন্ধুর বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে, তখন বাইরে দাঁড়িয়ে লোকজন উল্লাস করছে। রক্ষা পায়নি বাড়ির চত্বরে লাগানো নারকেল গাছটাও। কার্যত গাছ মুড়িয়ে সমস্ত ডাব নিয়ে গিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
গাছ থেকে ডাব পারতে পেরে তথাকথিত আন্দোলনকারীদের প্রতিক্রিয়া, “গাছটা পরেছে, ডাবটা পেয়েছি। অনেক সাধনার পর পেয়েছি। হাসিনার বাড়ির ডাব খেতে পারব, ভাবতেও পারিনি।
আরেকজন বলেন, ডাব পেয়েছি। এতদিন তো শুধু বাইরে থেকে দেখেছি। ভিতরে ঢোকার সাহস ছিল না। শেখ মুজিবরের বাড়ি ছিল, এখন জনগণের হয়ে গিয়েছে।”
এটাই কি নতুন বাংলাদেশ? চুরি, লুঠতরাজই কি আজ গর্বের কাজ হয়ে উঠেছে? প্রশ্নের উত্তরটা তাদের কাছেই রয়েছে।

