Hantavirus Cases: হান্টাভাইরাসে এখন কতজন আক্রান্ত? কতটা সংক্রমণ ছড়াতে পারে, আপডেট দিল WHO
WHO hantavirus warning: সাধারণত ইঁদুরের মল, মূত্র ও লালা থেকে ছড়ায় হান্টাভাইরাস। সংক্রামিত জায়গা স্পর্শ করলে বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে দীর্ঘক্ষণ থাকলেও এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে। উদ্বেগের কারণ হল এই বিরল ভাইরাসের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন নেই। এর মৃত্যুহারও অনেকটা বেশি।

জেনেভা: হান্টাভাইরাস (Hantavirus) নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক। নতুন এই ভাইরাস মারণ আকার ধারণ করে সংক্রমণ ছড়ালে। আরও উদ্বেগের কারণ হল, এই ভাইরাসের কোনও চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন নেই। ইতিমধ্যেই যে ক্রুজ শিপে হান্টাভাইরাস ছড়িয়েছিল, সেটি নোঙর করেছে। কতজন হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত, তা নিয়ে আপডেট দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এমভি হন্ডিয়াস (MV Hondius) ক্রুজ শিপে থাকা যাত্রীদের মধ্যে হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আটজন। অ্যানডেস ভাইরাসে (Andes Virus) আক্রান্ত তাঁরা। তাদের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। উল্লেখ্য, হান্টাভাইরাসের একমাত্র এই স্ট্রেইনই মানবদেহ থেকে অপর মানবদেহে সংক্রমণ ছড়ায়।
হু জানিয়েছে, যে আটজনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে, তাদের মধ্যে দুইজন সম্ভাব্য আক্রান্ত। একজনের সংক্রমণ এখনও বোঝা যাচ্ছে না। আরও পরীক্ষার প্রয়োজন। অন্যদিকে, ওই ক্রুজ শিপে থাকা তিনজন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে দুইজন অ্যানডেস ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তৃতীয়জনের মৃত্যু হান্টাভাইরাসে হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
সাধারণত ইঁদুরের মল, মূত্র ও লালা থেকে ছড়ায় হান্টাভাইরাস। সংক্রামিত জায়গা স্পর্শ করলে বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে দীর্ঘক্ষণ থাকলেও এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে। উদ্বেগের কারণ হল এই বিরল ভাইরাসের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন নেই। এর মৃত্যুহারও অনেকটা বেশি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমানে যতজন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, তারা সকলেই ক্রুজ শিপে ছিলেন। একজন উপসর্গহীন আক্রান্তের খোঁজও মিলেছে। তাঁর রিপোর্ট একবার পজেটিভ এসেছে, একবার নেগেটিভ এসেছে। আরও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত হান্টাভাইরাস সংক্রমণ জাহাজের যাত্রীদের মধ্যে মাঝারি (moderate) এবং গোটা বিশ্বের জন্য তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। তবে সংক্রমণের উৎস এখনও অজানা।
হু-র মতে, ওই ক্রুজ শিপে চড়ার আগেই সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। প্রথম আক্রান্ত ছিলেন ৭০ বছর বয়সী নেদারল্যান্ডের বাসিন্দা, যার উপসর্গ ৬ এপ্রিল থেকেই দেখা দিয়েছিল। এই ভাইরাস শরীরে এক থেকে ছয় সপ্তাহ থাকে। তাই ক্রুজ শিপে চড়ার পর তাঁর জ্বর-শ্বাসকষ্ট হয় এবং তারপরে তাঁর মৃত্যু হয়।
