Bangladesh Update: ড্রাগনের দেশ থেকে ‘আকাশ-দূতের’ প্রযুক্তি! ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায় ঢাকা
India to Develop Capital Dome: প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রথম ধাপে উত্তর-পূর্বের প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার জুড়ে বসবে সুরক্ষার ছাদ। দ্বিতীয় ধাপে আসছে কলকাতা। পুরো এলাকায় মাথায় থাকবে ক্যাপিটাল ডোম। একেবারে মাল্টি লেয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যার মোট তিনটি ধাপ। প্রথম, কুইক রি-অ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল। দ্বিতীয়, ভেরি লো রেঞ্জ সারফেস টু সারফেস এবং তৃতীয়, এয়ার টু এয়ার মিসাইল। শক্রর হামলা আটকাতে থাকছে নিরাপত্তার ঢাল।

ঢাকা: ড্রোন কারখানা তৈরি করবে ঢাকা। বেজিংয়ের সঙ্গে চাইছে চুক্তি স্বাক্ষর করতে। এবার নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষার স্বার্থে এই পদক্ষেপ করতে চলেছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। প্রথমে পাকিস্তান, এবার চিন। ঢাকার দুই স্তম্ভ হয়েছে এই দুই দেশ। তবে চুক্তি স্বাক্ষর নির্বাচনের আগে হবে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য় বিজ়নেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অন্দরে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চিনের সঙ্গে জি-টু-জি বা সরকার পক্ষের তরফে আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করছে ঢাকা। এই মর্মে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে গত ৬ জানুয়ারি প্রকল্পের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রক।
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি অনুযায়ী, অর্থ মন্ত্রকের অনুমোদনের পর এই চুক্তি প্রস্তাবে অনুমোদন দিতে হবে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে। কিন্তু তিনি এখনও অনুমোদন দিয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের জন্য মোট ৬০৮ কোটি ৮ লক্ষ টাকা ধার্য করেছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। যার মধ্য়ে ড্রোন প্রযুক্তি আমদানি এবং কারখানা তৈরিতে মোট ৫৭০ কোটি টাকা খরচ করবে অন্তর্বর্তী সরকার।
বাকি পড়ে থাকা ৩৭ কোটির টাকার সামান্য অধিক টাকা ব্যয় করা হবে কারখানা খোলার চার্জ, ভ্য়াট ও সুইফট চার্জ বাবদ। শনিবার এই নতুন কারখানা প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল অর্থ উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদকে। কিন্তু এই প্রসঙ্গে চিনের কথা টানেননি উপদেষ্টা। তাঁর মতে, ‘নয়া প্রযুক্তি, ড্রোন আমদানি নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। কিন্তু কোন দেশ থেকে কেনা হবে, কত কেনা হবে, সেই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
