Bangladesh: স্বামীর মাথায় গলগল করে ঢেকে দেওয়া হল পেট্রোল, বীভৎস ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন খোকনের স্ত্রী
বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন খোকন। ঢাকার শরিয়তপুরের ডামুড্যায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। দোকান বন্ধ করে প্রতিদিনের মতোই বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিল সারাদিনের বিক্রির টাকা। সেই সময় ডামুড্যা-শরিয়তপুর সড়কে কেউরভাঙা বাজারের অদূরে তাঁকে আটকানো হয় বলে অভিযোগ।

ঢাকা: বাংলাদেশে এখন শুধুই আতঙ্কের ছবি, আর্তনাদের শব্দ। একে একে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারের যে ছবি সামনে আসছে। দীপু দাসকে হত্যার ঘটনায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ইউনূসের প্রশাসনকে। সম্প্রতি খোকন চন্দ্র দাস নামে আরও এক যুবককে একই কায়দায় আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। কীভাবে ঘটল সেই ঘটনা, সে কথাই এবার প্রকাশ্যে আনলেন খোকনের স্ত্রী। এনডিটিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন প্রথমে ধারাল অস্ত্রে আঘাত করে, তারপর গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়।
খোকনের স্ত্রী সীমা দাস জানিয়েছেন, তাঁর বা তাঁর স্বামীর এলাকায় কোনও শত্রু ছিল না। কেন যে এভাবে হামলা হল, তা বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি। তিনি বলেন, “আমরা হিন্দু। আমরা শান্তিতে বাঁচতে চাই। সরকারের কাছে সাহায্য চাইছি আমি।”
বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন খোকন। ঢাকার শরিয়তপুরের ডামুড্যায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। দোকান বন্ধ করে প্রতিদিনের মতোই বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিল সারাদিনের বিক্রির টাকা। সেই সময় ডামুড্যা-শরিয়তপুর সড়কে কেউরভাঙা বাজারের অদূরে তাঁকে আটকানো হয় বলে অভিযোগ। রিকশা থামিয়ে, ঘাড় ধরে বের করা হয় তাঁকে। এরপর চলে মারধর। কুপিয়ে খুনের চেষ্টাও করা হয় তাঁকে। এমনকী, মাথায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
সীমা জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী দুই দুষ্কৃতীকে চিনতে পেরেছিলেন। সেই কারণেই গলগল করে মাথায় ঢেলে দেওয়া হয় পেট্রোল। তারপর আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়। আপাতত হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি রাখা হচ্ছে খোকনকে।
