AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh MP Murdered: বাংলাদেশের সাংসদ খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য, কলকাতা ছাড়ার আগেই খুনের সরঞ্জাম কিনেছিল ষড়যন্ত্রকারী শাহিন

Bangladesh MP Murdered: সাংসদ আনওয়ারুল আজিমকে হত্যায় শাহিনের সঙ্গে আরও কোনও রাঘববোয়ালের যোগ রয়েছে কি না, তারও খোঁজ করছে বাংলাদেশের পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান অবশ্য জানান, এখনও পর্যন্ত শাহিনের বাইরে প্রভাবশালী অন্য কারও যোগ পাওয়া যায়নি এই খুনের ঘটনায়।

Bangladesh MP Murdered: বাংলাদেশের সাংসদ খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য, কলকাতা ছাড়ার আগেই খুনের সরঞ্জাম কিনেছিল ষড়যন্ত্রকারী শাহিন
বাংলাদেশের সাংসদ খুনে মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহিন Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 25, 2024 | 9:27 PM
Share

ঢাকা ও কলকাতা: বাংলাদেশের সাংসদকে কলকাতায় নৃশংসভাবে খুনের ঘটনার তদন্ত যত এগোচ্ছে, একের পর এক তথ্য সামনে আসছে। কলকাতার নিউটাউনে খুন হন বাংলাদেশের সাংসদ আনওয়ারুল আজিম আনার। এই খুনের ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী আখতারুজ্জামান শাহিন কলকাতায় সমস্ত পরিকল্পনা আগে থেকেই সম্পন্ন করে রেখেছিলেন। খুনের সরঞ্জাম নিজেই কিনেছিলেন তিনি। এবং সরঞ্জামগুলি তিনি দেন আততায়ীদের। শুধু তাই নয়, সম্পর্কে বেয়াই সৈয়দ আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভুঁইয়াকে সব বুঝিয়েও দেন শাহিন। শিমুল ভাড়াটে খুনি দিয়ে ‘কিলিং মিশন’ শেষ করেন। এরপর ‘কাট-আউট’ পদ্ধতি ব্যবহার করে মৃতদেহের টুকরো গায়েব করা হয়। অন্য কোথাও ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয় আগেই।

সাংসদ আনওয়ারুল আজিমকে হত্যায় শাহিনের সঙ্গে আরও কোনও রাঘববোয়ালের যোগ রয়েছে কি না, তারও খোঁজ করছে বাংলাদেশের পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান অবশ্য জানান, এখনও পর্যন্ত শাহিনের বাইরে প্রভাবশালী অন্য কারও যোগ পাওয়া যায়নি এই খুনের ঘটনায়।

এদিকে, সাংসদ হত্যায় জড়িত অভিযোগে ধৃত তিনজনকে আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ধৃতরা হল, শিমুল ভুঁইয়া ওরফে সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান, ফয়সাল আলি ওরফে সাজি ও এস রহমান। এর আগে বাংলাদেশে আসা ভারতীয় গোয়েন্দাদের একটি প্রতিনিধি দল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। হত্যার সঙ্গে জড়িত সাতজনের মধ্যে চারজনকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তাঁরা হলেন মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহিন, ভাড়াটে খুনি সিয়াম, ফয়সাল ও মোস্তাফিজ। শাহিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছেন। ভোলার বাসিন্দা সিয়াম গত ১৭ মে ভারত থেকে নেপালে গিয়েছেন। ফয়সাল ও মোস্তাফিজের ব্যাপারে কিছু জানা যাচ্ছে না। তাঁরা দু’জই খুলনার বাসিন্দা। শাহিনই তাঁদের খুনের কাজে নিয়োগ করেন বলে জানা গিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের জন্য তাঁদের নতুন পাসপোর্ট করে কলকাতায় পাঠানো হয়। ‘মিশন’ সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাঁরা আবার বাংলাদেশে ফেরেন।

কলকাতার নিউটাউনে যে ফ্ল্যাটে বাংলাদেশের সাংসদকে হত্যা করা হয়, সেখানকার দুটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। একটি ফুটেজে ১৩ মে দুপুরে বাংলাদেশের সাংসদকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফ্ল্যাটে ঢুকতে দেখা যায়। এ সময় তাঁর পরনে ছিল কালো প্যান্ট ও সাদা শার্ট। হাতে ছিল কাগজপত্রসহ ফাইল। একই সময় অন্য দু’জন ফ্ল্যাটে ঢোকেন। তার মধ্যে একজন হলেন শিমুল ভুঁইয়া ও অন্যজন ভাড়াটে খুনি ফয়সাল।

আরেকটি ফুটেজে ওইদিন বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে দু’জনকে ফ্ল্যাট থেকে বের হতে দেখা যায়। তাঁদের একজনের হাতে ছিল একটি সবুজ রঙের বড় ট্রলিব্যাগ। আরেকজনের হাতে কয়েকটি পলিথিন ব্যাগ। তাঁরা লিফটে নামেন। গোয়েন্দারা বলছেন, ওই ব্যাগে ছিল সাংসদের দেহের টুকরো টুকরো অংশ। ব্যাগ নিয়ে নামে শিমুল ও আরেক ভাড়াটে খুনি জিহাদ। ধৃত জিহাদ ১২ দিনের রিমান্ডে সিআইডি হেফাজতে রয়েছেন।

Follow Us