AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Moldova: চার দিন ধরে জীবন্ত কবরে! গোঙানি শুনে বৃদ্ধকে বের করল পুলিশ

Moldova: পুলিশ এসেছিল অপর এক ঘটনার তদন্তে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল এক ৭৪ বছর বয়সী মহিলার। তাঁকে তাঁর নিজের বাড়িতেই মৃত অবস্থায় পেয়েছিলেন তাঁর আত্মীয়রা। এই ঘটনার তদন্তে এসেই কবর থেকে এক বৃদ্ধকে উদ্ধার করল পুলিশ।

Moldova: চার দিন ধরে জীবন্ত কবরে! গোঙানি শুনে বৃদ্ধকে বের করল পুলিশ
মাটির নীচ থেকে উদ্ধার করা হয় ওই ব্যক্তিকেImage Credit: Twitter
| Updated on: May 17, 2024 | 7:34 PM
Share

কিশিনেভ: জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছিল ৬২ বছর বয়সী বৃদ্ধকে। চার দিন ধরে মাটির নীচেই ছিলেন। পুলিশ এসেছিল অপর এক ঘটনার তদন্তে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল এক ৭৪ বছর বয়সী মহিলার। তাঁকে তাঁর নিজের বাড়িতেই মৃত অবস্থায় পেয়েছিলেন তাঁর আত্মীয়রা। এই ঘটনারই তদন্ত করতে গিয়েছিলেন পুলিশ অফিসাররা। তল্লাশি চালানোর সময়, কাছের এক জায়গা থেকে একটা গোঙানির আওয়াজ পেয়েছিলেন তাঁরা। আওয়াজ লক্ষ্য করে গিয়ে তারা দেখেছিল, গোঙানির আওয়াজটা আসছে মাটির নীচ থেকে। একটু খোঁড়াখুঁড়ি করতেই পুলিশ একটা দরজা দেখতে পেয়েছিল। দরজাটা ছিল এক অস্থায়ী বেসমেন্টের। আর সেখান থেকেই ৬২ বছরের ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে পুলিশ। বিস্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে মলডোভায়।

গত সোমবার (১৩ মে), উত্তর-পশ্চিম মলডোভার উস্তিয়ায় ওই বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়েছিল পুলিশ। গোঙানির আওাজটা আসছিল পাশের বাড়ি থেকে। সেই বাড়িতে থাকত এক কিশোর। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল পুলিশ। সে বিভ্রান্তিকর উত্তর দিয়েছিল। তারপর, পুলিশ প্রমাণের জন্য তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চালানোর সময়ই মাটির নীচের ওই অস্থায়ী ঘরটি থেকে ৬২ বছরের বৃদ্ধকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে উদ্ধারের একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। তাতে, দেখা যাচ্ছে ওই ব্যক্তিকে মাটির নীচের ওই অস্থায়ী ঘর থেকে টেনে বের করা হচ্ছে। উদ্ধারের সময় ওই ব্যক্তি স্বজ্ঞানেই ছিলেন। তাঁর ঘাড়ে একটা ক্ষত ছিল।

উদ্ধারের পর ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওই কিশোরই তাঁকে দিন চারেক আগে মাটির নীচের ওই অস্থায়ী ঘরে তালাবন্দি করেছিল। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার আগে তিনি ওই কিশোরের সঙ্গে বসে মদ্যপান করছিলেন। এক সময় একটি বিষ নিয়ে তাঁদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়েছিল। তর্কাতর্কির মধ্যেই একটি ছুরি নিয়ে তাঁকে আক্রমণ করে কিশোরটি। তারপর তাঁকে মাটির নীচের ওই অস্থায়ী বেসমেন্টে ঢুকিয়ে দিয়ে দরজায় তালা দিয়ে দেয়। তারপর, দরজাটি মাটি দিয়ে চাপা দিয়ে দিয়েছিল।

এরপরই ওই কিশোরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের মতে, শুধু ওই বৃদ্ধকে জীবন্ত কবর দেওয়াই নয়, যে বৃদ্ধ মহিলার মৃত্যুর তদন্তে ওই জায়গায় গিয়েছিল পুলিশ, সেই মহিলাকেও সম্ভবত ওই কিশোরই হত্যা করেছে। পুলিশের অনুমান, রবিবার রাতে অথবা সোমবার সকালে ওই মহিলাকে হত্যা করেছিল কিশোরটি। তার বিরুদ্ধে হত্যা এবং হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনেছে পুলিশ। ফলে, দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তি পেতে হবে। এদিকে, ৬২ বছরের ওই ব্যক্তিকে স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।

Follow Us