e Pakistan: 'আমরা ভিক্ষা করি, লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়', অকপট স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর - Bengali News | Pakistan pm shehbaz sharifs bold confession says we go begging our heads bow down in shame - TV9 Bangla News
AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Pakistan: ‘আমরা ভিক্ষা করি, লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়’, অকপট স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর

Pakistan PM on Loan: শেহবাজ শরিফ বলেন, "আপনারা জানেন যে যারা ঋণ নেন, তাদের মাথা নত হয়ে যায়"।  শরিফ আরও বলেন, "আমাদের লজ্জা লাগে যখন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও আমি বিশ্বে ঘুরে ঘুরে টাকা চেয়ে বেড়াই। ঋণ নেওয়া আমাদের আত্মসম্মনের উপরে বড় বোঝা।"

Pakistan: 'আমরা ভিক্ষা করি, লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়', অকপট স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।Image Credit: PTI
| Updated on: Jan 31, 2026 | 1:41 PM
Share

ইসলামাবাদ: পাকিস্তান ভিক্ষা করে বিশ্বের দরবারে। স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) নিজেই। বললেন, তিনি এবং দেশের সেনা প্রধান, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বিভিন্ন দেশে গিয়ে আর্থিক সাহায্য চান। যেখানে ভারত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করছে, সেখানেই প্রতিবেশী দেশের এই দৈন্য দশা এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই সেই দুরাবস্থা স্বীকার করে নিচ্ছেন।

শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে রফতানিকারকদের সঙ্গে কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধামন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেখানেই তিনি বলেন যে দেশের অর্থনীতির জন্য সরকারকে একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়েছে, বাধার সম্মুখীন হয়েছে। শরিফ বলেন যে দেশের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে, কিন্তু বন্ধু দেশগুলির কাছ থেকে নেওয়া ঋণের অর্থও রয়েছে।

শেহবাজ শরিফ বলেন, “আপনারা জানেন যে যারা ঋণ নেন, তাদের মাথা নত হয়ে যায়”।  শরিফ আরও বলেন, “আমাদের লজ্জা লাগে যখন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও আমি বিশ্বে ঘুরে ঘুরে টাকা চেয়ে বেড়াই। ঋণ নেওয়া আমাদের আত্মসম্মনের উপরে বড় বোঝা। আমাদের মাথা নত হয়ে যায় লজ্জায়। আমরা চাইলেও, অনেক জিনিসে না বলতে পারি না।”

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফ থেকে ১,২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান। আরও আর্থিক সাহায্য পাওয়ার কথা। আইএমএফ পাকিস্তানের অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে একাধিক শর্ত চাপিয়েছে, যা নিয়ে পাকিস্তানের আপত্তি থাকলেও মুখ বুজে সহ্য করতে হয়েছে।  সে প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন যে তাদের সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ও অর্থ মন্ত্রককে শিল্পের উন্নতি ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে বলা হয়েছে।