PM Narendra Modi: ‘ইজরায়েলের পাশে আছে ভারত, এই মুহূর্তে এবং তার পরেও…’, বার্তা মোদীর
PM Modi's Israel Visit: প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "ভারতের সঙ্গে এই মাটির যোগ রক্ত ও আত্মত্যাগে লেখা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ৪ হাজারেরও বেশি ভারতীয় সৈনিক এই অঞ্চলেই প্রাণ দিয়েছিলেন। ১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বরে হাইফায় অশ্বারোহী বাহিনীর চার্জ সামরিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।"

তেল আভিভ: সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর। ইজরায়েল সফরে গিয়ে সে দেশের সংসদে বক্তৃতা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেখানেই কড়া বার্তা দিলেন সন্ত্রাসবাদ নিয়ে। এই লড়াইয়ে ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন তিনি।
এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলের সংসদে বক্তব্য রাখলেন। দুইদিনের সফরে তেল আভিভে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁকে বিমানবন্দরেই আলিঙ্গন করে স্বাগত জানান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বুধবার, সফরের প্রথম দিনেই ইজরায়েলের সংসদ নেসেটে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের উপরে হামাসের হামলার কথা, যেখানে প্রায় ১২০০ নাগরিকের মৃত্য়ু হয়েছিল। তুলে আনেন ২৬/১১ মুম্বই হামলার কথাও। প্রধানমন্ত্রী মোদী সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে ভারত।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “ভারতের সঙ্গে এই মাটির যোগ রক্ত ও আত্মত্যাগে লেখা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ৪ হাজারেরও বেশি ভারতীয় সৈনিক এই অঞ্চলেই প্রাণ দিয়েছিলেন। ১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বরে হাইফায় অশ্বারোহী বাহিনীর চার্জ সামরিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার হৃদয়ে ভারতের নাগরিকদের দুঃখ ও সমবেদনা রয়েছে সেই সকল পরিবারের প্রতি, যারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নৃশংস সন্ত্রাসবাদী হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। আমরা আপনাদের কষ্ট বুঝি। আপনাদের দুঃখ বুঝি। ভারত ইজরায়েলের পাশে রয়েছে, এই মুহূর্তে এবং তার পরেও।”
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “কোনও কারণই নাগরিকদের হত্যাকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। সন্ত্রাসবাদ কখনও সঠিক পথ হতে পারে না। ভারতও দীর্ঘ সময় ধরে সন্ত্রাসবাদের যন্ত্রণা সহ্য করেছে। আমরা ২৬/১১ মুম্বই হামলা এবং তাতে ইজরায়েলি নাগরিক সহ শতাধিক নিরাপরাধ প্রাণের হারানোর কথা আমরা মনে রেখেছি।”
প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের ইজরায়েল সফরে দুই রাষ্ট্রনেতা প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, নিরাপত্তা, কৃষি, জল, বাণিজ্য় সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মউ স্বাক্ষর করতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
