Bangladesh: নিজের কুড়ুলেই ‘পা কাটল’ ইউনূসের! বাংলাদেশের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালাল দুর্বৃত্তরা
Bangladesh: এক প্রত্যক্ষদর্শী জানাচ্ছেন, সরকার জমি অধিগ্রহণ করতে চাইলে শুরু হয় বিক্ষোভ-প্রতিবাদ। তার পাল্টা চলে এলাকাবাসীকে মারধর ও গ্রেফতার অভিযান। আর তারই প্রতিবাদ করতে গেলে গুলি চালায় বায়ুসেনা। যার জেরে মৃত্যু হয় এক বিক্ষোভকারীর।

ঢাকা: বাংলাদেশে এখন দুর্বৃত্তরাজ। হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই বারংবার সেদেশ থেকে উঠে এসেছে নৈরাজ্যের ছবি। কিন্তু নৈরাজ্য কি আবার এবার গৃহযুদ্ধে রূপান্তর হচ্ছে? সেদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর সূত্রে খবর, সোমবার বাংলাদেশের কক্সবাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে এক দল দুষ্কৃতী।
তবে কী কারণে এমন হামলা? সে বিষয়ে এখনও কাটেনি ধোঁয়াশা। সেদেশের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্ভবত বায়ুসেনা ঘাঁটি সম্প্রসারণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ চলছিল। যার জেরেই ঘটে এই হামলার ঘটনা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানাচ্ছেন, সরকার জমি অধিগ্রহণ করতে চাইলে শুরু হয় বিক্ষোভ-প্রতিবাদ। তার পাল্টা চলে এলাকাবাসীকে মারধর ও গ্রেফতার অভিযান। আর তারই প্রতিবাদ করতে গেলে গুলি চালায় বায়ুসেনা। যার জেরে মৃত্যু হয় এক বিক্ষোভকারীর। আহত হয় বেশ কয়েকজন। পারদের মতো চড়ে উত্তেজনা।
তবে আর এক দলের মত, প্রতিবাদ নয়। বরং জোর করেই বায়ুসেনার ঘাঁটির মধ্য়ে ঢোকার চেষ্টা করছিল তারা। তাদের রুখতে গিয়ে গুলি চালিয়ে ফেলেন এক নিরাপত্তারক্ষী। অবশ্য, এই ঘটনার প্রসঙ্গে এখনও মুখ খোলা হয়নি সরকার তরফে।
প্রসঙ্গত, গত ছয় মাসে বাংলাদেশে দুষ্কৃতী তাণ্ডব কিছু নতুন নয়। এতে চোখ কিছুটা সয়েই গিয়েছে বাকি বিশ্ববাসীর। কিন্তু প্রতিবারের তুলনায় এই হামলার প্রকৃতি অন্যরকম। এর আগের প্রতিটি দুষ্কৃতী তাণ্ডব ঘটেছে হাসিনা-বিরোধী। কখনও আক্রান্ত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। কখনও আক্রান্ত হয়েছে হাসিনার কাছের মানুষরা। কখনও ভাঙা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। কখনও আবার ভাঙা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া শেষ স্মৃতি, তাঁর বাড়িটা।
কিন্তু প্রতিবারের থেকে এবারটা ব্যাতিক্রমী। যে দুষ্কৃতীদের বাড়বাড়ন্তে ‘মুখে কুলুপ’ আঁটলেন ইউনূস। সেই দুষ্কৃতীরাই এখন তাঁর গলা টিপতে ব্যস্ত হয়েছেন। তাই হামলা করে বসল খোদ ইউনূসের পুলিশ-সেনার উপর।

